শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

‘হায়াতে তাইয়্যিবাহ’ (পবিত্র জীবন) পাওয়ার জন্য শর্ত

হায়াতে তাইয়্যিবাহ (পবিত্র জীবন) পাওয়ার জন্য শর্তঃ
মহান আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন,
যে ব্যক্তি নেক আমল করে এবং এমন অবস্থায় যে সে একজন ঈমানদার, চাই সে পুরুষ হোক কিংবা নারী, আমি তাকে হায়াতে তাইয়্যিবাহ (পবিত্র জীবন) দান করব এবং প্রতিদানে তাদেরকে তাদের উত্তম কাজের কারণে প্রাপ্য পুরষ্কার দেব যা তারা করত। [সুরা আন-নাহলঃ ৯৭]

সুতরাং, হায়াতে তাইয়্যিবাহ পেতে হলে ঈমান সঠিক করতে হবে নেক আমল করতে হবে।

=> ঈমান সঠিক কথাটির অর্থ হচ্ছে #ইখলাস, ছোট-বড় যেকোন ধরণের শির্ক ও কুফুরী মুক্ত থাকতে হবে, যেকোন আমল করতে হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

=> আর নেক আমল অর্থ হচ্ছে, যেকোন ইবাদত একমাত্র রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহ বা আদর্শ অনুযায়ী করা, যাবতীয় বিদআত কুসংষ্কার মুক্ত থাকা।

কোন ইবাদত বা আমলে ইখলাস না থাকলে অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য না করে অন্য কারো জন্য করলে অথবা ছোট অথবা বড় শিরক মিশ্রিত করলে সেই আমল আল্লাহ্ কবুল করবেন না। আবার কোন আমল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহ অনুযায়ী নাহলে সেটাও বাতিল। 

নারী নেতৃত্ব

নারী নেতৃত্বকে আমরা হারাম বলিনি, ইসলাম এটাকে হারাম বলেনি। নারী নেতৃত্বকে ইসলাম হারাম বলেনি।
জামাতে ইসলামীর মুফতি, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী।

আমি ক্বুরান, হাদীস, ইজমা, ক্বিয়াস এবং মুসলিম খেলাফত ও কানুনের যে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে মিলিয়ে দেখলাম, এর কোথাও মুসলিম আইনের সাথে, ক্বুরানী আইনের সাথে নারী নেতৃত্বের কোন সংঘাত নেই। আজ থেকে ৫০০০ বছর পূর্বে মুসলমান জাতির গোড়াপত্তন হয়েছিলো নারী নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে।
আওলামী লীগের মুফতি, গোলাম মাওলা রনি।

বিঃদ্রঃ ক্বুরান, হাদীস, ইজমা (আলেমদের ঐক্যমত) ও ক্বিয়াস (যুক্তি) অনুযায়ী নারী নেতৃত্ব একটি অগ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা। রাজনীতি করতে গেলে কিছু মিথ্যা কথা বলতে হয়। সমস্যা হচ্ছে মানুষ যখন মুসলমান বেশ-ভূষা নিয়ে ভোট পাওয়ার জন্য, নেতাদেরকে খুশি করার জন্য ইসলাম সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলে তখন।

দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বক্তব্যের লিংক
https://www.facebook.com/video.php?v=10205902288387040&fref=nf

গোলাম মাওলা রনির বক্তব্যের লিংক
https://www.facebook.com/video.php?v=1674957009398283&fref=nf

নারী নেতৃত্ব ইসলাম বহিঃর্ভূত

https://www.facebook.com/Back.to.Allah.bangla/posts/1108720025827410:0

শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

কোন বিবেকবান মুসলমান শহীদ মিনারে ফুল-চন্দন দিতে পারে?

আপনারাই বলুন কোন বিবেকবান মুসলমান শহীদ মিনারে ফুল-চন্দন দিতে পারে?

আমি যখন ছোট ছিলাম তখন গ্রামে বড় হই। গ্রামে আমাদের বাগানে অনেক ফুল ফুটতো. . .সেইজন্য মাঝে মাঝে হিন্দুরা আসতো ফুল নিতে। এই ফুল দিয়ে তারা মূর্তিকে দিয়ে পূজা করতো, তাদের ঠাকুর দেবতাদেরকে শ্রদ্ধা জানাতো। তখন ইসলাম সম্পর্কে এতো কিছু জানতাম না, সেইজন্য আমরা ফুল দিতে তাদেরকে মানা করতাম না। যাই হোক, আমার মনে হয়না কোন মুসলমান এই কথাকে অস্বীকার করতে পারবে যে, ইট-পাথর, মিনার, সৌধ বা স্তম্ভে ফুল দিয়ে পুষ্পাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি, পুষ্পার্ঘ দেওয়া. . .এই সংস্কৃতি হিন্দুদের কাছ থেকে এসেছে। হিন্দুরা মূর্তিকে ফুল দেয়. . .আর অজ্ঞ, নামধারী মুসলমান, মুনাফেক শ্রেণীর রাজনীতিবিদেরা অলি-আওলিয়ার নামে, শহীদের নামে, পাথর, সৌধ বা মিনারের নামে ফুল দেয়। এইসমস্ত বিভ্রান্ত লোক যারা পুরো বাঙালি মুসলমানদের উপর এইরকম জঘন্য শিরকি প্রথা চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে, তাদেরকে উদ্দেশ্য করে রাসুল সাঃ এর একটি সহীহ হাদীস ও ক্বুরানের একটা আয়াত তুলে ধরতে চাই,

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
মান তাশাব্বাহা বি ক্বাওমিন ফা হুয়া মিনহুম অর্থাৎ, কোন ব্যক্তি যেই জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলেই গণ্য হবে।
সুতরাং যারা হিন্দুদের অনুকরণ করবে তারা হিন্দুদের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে, যারা ইয়াহুদী-খ্রীস্টানদের অনুকরণ করবে তারা ইয়াহুদী-খ্রীস্টানদের অন্তর্ভুক্ত বলেই গণ্য হবে।

মহান আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন,
নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেন আর তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত করে দেন। আর জালিম (মুশরিকদের) জন্য কোন সাহায্যকারী নেই।

[সূরা আল-মায়িদাহঃ ৭২]

মুমিনদের জীবনে আল্লাহর পরীক্ষা অবশ্যই আসবে

মুমিনদের জীবনে আল্লাহর পরীক্ষা অবশ্যই আসবেঃ 
এবং অবশ্যই আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, সম্পদ ও জীবনের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। (হে নবী!) আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদেরকে। (ধৈর্যশীল হচ্ছে তারাই) যখন তারা বিপদে পড়ে, তখন তারা বলে ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো। তারাই হচ্ছে সে সমস্ত লোক, যাদের প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ ও রহমত রয়েছে এবং এসব লোকেরাই হচ্ছে হেদায়েতপ্রাপ্ত।
সুরা আল-বাক্বারাহঃ ১৫৬।

নবী রাসুল, তাঁদের সাহাবী এবং আল্লাহর নেককার বান্দাদের উপরেও বড় বিপদ এসেছিলোঃ
তোমাদের কি মনে কর যে, তোমরা এমনিতেই জান্নাতে চলে যাবে, অথচ তোমরা তাদের মতো অবস্থা অতিক্রম করনি যারা তোমাদের পূর্বে অতীত হয়েছে। তাদের উপর এসেছিলো বিপদ ও কষ্ট। আর এমনিভাবে তারা কম্পিত হতে হয়েছিলো যে এমনকি নবী ও তাঁর প্রতি যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে পর্যন্ত একথা বলতে হয়েছিলো যে, কখন আসবে আল্লাহর সাহায্যে! আর তোমরা জেনে রাখো, আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটেই রয়েছে।

সুরা আল-বাক্বারাহঃ ২১৪। 

বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

বদনজর, জাদু ও জিনের কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা চিকিৎসা

১/ বইঃ যাদু ও তার প্রতিকার
লেখকঃ শাইখ ওয়াহিদ বিন আব্দুস সালাম বালী
বইটি ফ্রি ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকেঃ http://www.mediafire.com//501/Kalo_Jadu_O_tar_Protikar.pdf

---------------------------------------------------------------------------------
২/ বইঃ বদনজর, জাদু ও জিনের কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা চিকিৎসা
লেখকঃ আবু আহ্‌মাদ সাইফুদ্দীন বেলাল (হাফেজাহুল্লাহ)

বইটি ফ্রি ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকেঃ
http://www.banglaislamgate.com//Syst/6_Tdawy_bil_Quran.pdf

---------------------------------------------------------------------------------
৩/ বইঃ যাদুটোনা ঝাড়ফুঁক জ্বীনের আছর তাবিজতুমার
লেখকঃ শাইখ ওয়াহিদ বিন আব্দুস সালাম বালী
মূলঃ শায়খ ওয়াহিদ বিন আব্দুস সালাম বালী, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান, মুহাম্মাদ আব্দুর রব আফফান, সানাউল্লাহ নজির আহমদ।

বইটি ফ্রি ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকেঃ http://pdf.amarboi.org/zadutona_jharfuk_jiner_achor_tabijtu

---------------------------------------------------------------------------------
৪/ বইঃ মানুষের উপর জিনের আছর
মূলঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
বইটি ফ্রি ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকেঃ
http://www.mediafire.com//ikkhi8cakj90c/bn_massul_zinn.pdf

---------------------------------------------------------------------------------
৫/ বইঃ ভ্রান্ত তাবিজ-কবচ
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ বিন সোলায়মান আল মোফাদ্দা

বইটি ফ্রি ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকেঃ http://www.islamicbook.ws/bengali/bengal-019.pdf

---------------------------------------------------------------------------------

৬/ বইঃ আক্বীদার মানদন্ডে তাবিজ
মূলঃ আলী বিন নুফায়ী আল-উলাইয়ানী

বইটি ফ্রি ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকেঃ
http://ebooksmela.com//Akidar-Mandonde-Tabiz-EBOOKSMELA.CO


*Password : ebooksmela.com

সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

বিদাতী আলিমদের বিষ

কুফফার মুনাফেকদের চাইতে বিদাতী আলিমদের বিষ উম্মতের জন্য বেশি ক্ষতিকর। এদের ব্যপারে কঠোরতা অবলম্বনে করুন, এদের ভ্রষ্টতা উম্মতের সামনে স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করে তাদেরকে অপমানিত করুন। আল্লাহ্‌ এদেরকে হেদায়েত করুন, নয়তো এদেরকে উঠিয়ে নিন, আমিন। এর সরলমনা মুসলমানদেরকে ধর্মের দোহাই দিয়ে বিভ্রান্ত করে, তাদের জীবন ও সম্পদ অন্যায়ভাবে নষ্ট করে। আফসোস! সেই সমস্ত মানুষদের জন্য যারা সরল বিশ্বাসে তাদেরকে আলেম মনে করে নিজেদের ঈমান ও আমল নষ্ট করে।

বর্তমানে বহুল প্রচলিত কিছু বিদাতী জামাআহ বা দল, যারা লোকদেরকে ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করছেঃ-
১. রিজভী-ব্রেলভী,
কবর মাযার পূজারী, পীর পূজারী, আটরশি, মাইজভান্ডারি।
২. দেওবন্দ মাদ্রাসার অনুসারী
সূফীবাদের অনুসারী, পীর-ফকির আর বুজরোগ, কওমী খারেজী মাদ্রাসা, আলিয়া মাদ্রাসা, আহমাদ শফি, চরমোনাই পীর, প্রচলিত বেশিরভাগ হুজুর মাওলানারা এই ফেরকার অনুসারী।
৩. তাবলীগ জামাত
দেওবন্দীদের দাওয়াহ বিভাগ, দেওবন্দী আকিদাহ ও তাদের লেখা বই-পুস্তক প্রচার করাই তাদের মিশন।
৪. জামাতে ইসলামী
নিজে মানেনা ইসলাম, ইসলাম কি এটাই বুঝেনা, তারাই নাকি রাষ্ট্রে ইসলাম কায়েম করবে?
৫. খারেজী মতবাদ

আইসিস, আল-কায়েদাহ, জেএমবি, বাংলা ইংরেজী ও ভাষার কিছু মূর্খ বক্তার অন্ধভক্ত, অল্প বয়ষ্ক ছেলেরা এর অনুসারী বেশি।  

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

আজব মুসলমানঃ পর্ব - ২

আজব মুসলমানঃ পর্ব - ২

=> মানা তো দূরের কথা তারা ইসলাম সম্বন্ধে জানতেই চায় না কিন্তু তারা মুসলিম!

=> ইসলামের মৌলিক বিধানই মানে না কিন্তু তারা মুসলিম!

=> মুসলিমের দাবী জোর গলায় করে কিন্তু পার পাবার জন্য মৃত পীরের ঘাড় পা রেখে পার পেতে চায়, তারাও মুসলিম!

=> মুসলিম তবে গোটা ইসলাম বুঝতে চায় একজন মুসলিম পন্ডিতের (ইমামের) নেতৃত্বে, আর কারো জ্ঞান নেওয়ার দরকার নেই!

=> মুসলিম তবে তাই মানে ও বুঝে যা তার বিবেক বলে। অন্য জ্ঞানীর কথা কেন সে মানবে; কারণ সেও মানুষ অন্যরাও মানুষ!

=> মুসলিম তবে মানার পূর্বে একটি ইসলামী রাষ্ট্র চায়। সেই রাষ্ট্র তৈরি করতে করতে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়। রাষ্ট্রও হয় না আর ইসলাম মানতেও পারে না!

=> মুসলিম কিন্তু সেই শুধু মুসলিম বাকীরা মানব রচিত আইন মানার কারণে কাফের। তাই কাফের ছেড়ে মুসলিম ভাইদের সাথেই যুদ্ধ করে!

=> মুসলিম তবে যত আছে দিবস সব পালন করে, পর্দা পালন করে প্রেম দিবস!

====> সমাজের এই অবস্থায় কাদের বুঝাবেন আর কাদের ছাড়বেন?
কতজনকে বুঝাবেন?

-------> তবে হাল ছেড়ে বসে থাকা যায় না..
নচেৎ আরো ধ্বংসের দিকে চলে যাবে!!!!!!!!!

পোস্ট লিখেছেনঃ শায়খ আব্দুর রাকীব

দ্বাইয়ীঃ খাফজী ইসলামিক সেন্টার, সৌদি আরাবিয়া।