বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০১৬

নারীরা পুরুষের কাছে গেলে পুরুষেরা নারীদের ক্ষতি করে

নারীরা পুরুষের কাছে গেলে পুরুষেরা নারীদের ক্ষতি করে, অন্যায়ভাবে ভোগ করতে চায়। পরিনামে নারীদের ইজ্জত নষ্ট হয়...যদিও সাময়িক জৈবিক চাহিদা পূরণের নেশায় সেই নারীটা বুঝতে পারেনা, প্রিয়তম বন্ধু তার কত বড় সর্বনাশ করছে। যখন বুঝতে পারে, তখন অনেক দেরী হয়ে যায়, সেই পুরুষটা তার হৃদয় হরণ করে, ইজ্জত নষ্ট করে একা রেখে পালিয়ে যায়। পরিণামে চোখের জলে, অনুতাপের আগুনে দগ্ধ হয়ে সেই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়। এইজন্যে আল্লাহ নারী ও পুরুষের মাঝে হিজাব-পর্দার ব্যবস্থা দিয়েছেন, যাতে করে পুরুষেরা নারীদের হৃদয় ও শরীরকে নষ্ট করতে না পারে। আধুনিক যুগে নারী-পুরুষ ফ্রী মিক্সিং-এ কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পড়ে, অফিস-আদালাতে পাশাপাশি কাজ করে, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেটে সহজেই নারী-পুরুষের মাঝে যোগাযোগের কারণে নারী পুরুষের মাঝে অবৈধ যোগাযোগ ও সম্পর্কের কারণে নারী ও পুরুষের আত্মিক ও চারিত্রিক পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে। তাক্বওয়া এবং আল্লাহর রহমত ছাড়া বর্তমান যুগে এই ফিতনাহ থেকে বেঁচে থাকা খুবই কঠিন। আল্লাহু মুস্তায়ান।

বিঃদ্রঃ নারীদের শক্তি ও বুদ্ধির দিক থেকে ত্রুটি থাকার কারণে পুরুষদের উপরে নির্ভরশীল। একারণে একজন পুরুষ তার অধীনে নারীদের জন্যে দায়ী থাকবেন। স্ত্রী, কন্যাদেরকে লোভী পুরুষদের সাথে পড়ালিখা করতে বা অফিস করতে পাঠাবেন, হোস্টেলে মেসে একাকী রাখবেন, সাবালিকা নারীদেরকে সময়মতো বিয়ে না দেওয়ার কারণে তাদের ইজ্জত নষ্ট হবে, জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত থাকবে, তাহলে সেই পুরুষ গার্জিয়য়ানও দায়ী থাকবে। 

সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০১৬

ক্বুরান মানবজাতির জন্যে আশ্চর্যজনক এক মুজিজা।

ক্বুরান মানবজাতির জন্যে আশ্চর্যজনক এক মুজিজা। এই মহান কিতাবের পুরোটাই বরকতময়...এই কিতাব পড়লে বরকত, এটা শুনলে বরকত, এর উপরে আমল করে বরকত। একটু মনোযোগ দিয়ে নিচের কয়েকটা পড়ে দেখুন, মনের উপর কি আশ্চর্য প্রভাব ফেলে!
উযুবিল্লা হিমিনাশ-শাইতানির রাযীম।
(১) আল্লাহ মুমিনদের ওলী (অভিভাবক)। তাদেরকে তিনি অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন। আর যারা কুফুরী করে, তাদের অলী হচ্ছে তাগুত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। এরাই হচ্ছে জাহান্নামের অধিবাসী, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। [সুরা বাক্বারাহঃ ২৫৭]
(২) আল্লাহ তোমাদের অন্তরে ঈমানের প্রতি #মহব্বত সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং তা তোমাদের জন্যে #হৃদয়গ্রাহী করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে তোমাদের অন্তরে কুফুরী, পাপাচার ও নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। [সুরা হুজুরাতঃ ৭]
(৩) হে বনী-আদম (অর্থাৎ হে মানুষেরা)! শয়তান যেন তোমাদেরকে কিছুতেই বিভ্রান্ত না করে; যেমন সে তোমাদের পিতা-মাতাকে বিভ্রান্ত করে জান্নাত থেকে এমন অবস্থায় বের করে দিয়েছিলো যে, তাদের পোশাক তাদের থেকে খুলে দিয়েছিলো, যাতে তাদেরকে তাদের লজ্জাস্থান প্রকাশ হয়ে পড়ে। সে (ইবলিস শয়তান) এবং তার দলবল তোমাদেরকে এমন জায়গা থেকে দেখতে পায়, যেখান থেকে তোমরা তাদেরকে দেখতে পাওনা। আমি শয়তানদেরকে তাদের বন্ধু করে দিয়েছি, যারা ঈমান আনেনা। [সুরাহ আরাফঃ ৩২]
(৪) আপনি আমার বান্দাদেরকে বলে দিন, যারা ঈমান এনেছে তারা যেনো নামায কায়েম রাখে এবং আমার দেওয়া রিযিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে; ঐদিন আসার পূর্বেই, যেদিন কোন বেচা কেনা থাকবেনা এবং কোন বন্ধুত্বও থাকবেনা। [সুরা ইব্রাহীমঃ ৩১]
(৫) তিনি যদি তোমাদের রিযিক বন্ধ করে দেন, তাহলে এমন কে আছে যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে? বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে। [সুরা মুলকঃ ২১]
(৬) যদি গোনাহগারদের কাছে পৃথিবীর সমস্ত কিছু থাকে এবং তার সাথে সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে অবশ্যই তারা কেয়ামতের দিন শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যে মুক্তিপন হিসেবে সে সবকিছুই দিয়ে দেবে। অথচ তারা দেখতে পাবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন শাস্তি, যা তারা কখনো কল্পনাও করত না। [সুরা যুমারঃ ৪৭]

(৭) আমি জান্নাতী নারী (হুরদেরকে) বিশেষভাবে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদেরকে করেছি চিরকুমারী (প্রতিবার স্বামীর সাথে সহবাসের পর তাদেরকে পুনরায় কুমারী বানিয়ে দেওয়া হবে)। এবং তারা (এমন কামিনী নারী হবে যে), তারা শুধুমাত্র তাদের স্বামীদেরকেই প্রাণভরে ভালোবাসবে, এবং তাদের স্বামীর সমবয়স্কা নারী হবে। [সুরা ওয়াক্বিয়াঃ ৩৫-৩৭] 

শনিবার, ১২ মার্চ, ২০১৬

অন্তর নরম করার কিছু আমল

অন্তর নরম করার কিছু আমলঃ
(১) একমনে ক্বুরান তেলাওয়াত করা ও অর্থসহ বুঝে পড়া।
(২) ক্বারীদের ক্বুরান তেলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করা।
(৩) জামাতে নামায পড়ার জন্যে আগে আগে মসজিদে গিয়ে অপেক্ষা করা। এ সময় সুন্নত সালাত পড়ে আল্লাহর কাছে দুয়া করা বা ক্বুরান তেলাওয়াত করা।
(৪) সৎ ও জ্ঞানী লোকদের সাহচর্য গ্রহণ করা।
(৫) ক্বুরান ও সুন্নাহর আলেমদের বই-পুস্তক পড়া ও ওয়াজ-লেকচার শোনা।
(৬) বয়ষ্ক, দুর্বল ও অসুস্থ রোগীদের দেখতে যাওয়া এবং তাদের তুলনায় আল্লাহ আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন এই চিন্তা করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা।
(৭) দ্বীনি মজলিসে বসা।
(৮) আল্লাহর নেয়ামতগুলো নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা ও তার জন্যে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা।
(৯) আল্লাহর জন্যে ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্যে ঘৃণা করা।
(১০) পাপী ও নির্বোধ লোকদের বর্জন করা। অবশ্য দাওয়াতের উদ্দেশ্যে তাদের সাথে মেশা যাবে।
(১১) বিদাত ব্যক্তি বা আলিমদের সংশ্রব থেকে দূরে থাকা এবং তাদের সাথে তর্ক না করা।
(১২) ক্বুরানের সুরা বা আয়াত মুখস্থ করা।
(১৩) সর্বদা আল্লাহকে স্বরণ রাখা।
(১৪) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবনী ও হাদীসগুলো পড়া, সেইগুলো নিয়ে আলোচনা করা।
(১৫) নির্জনে আল্লাহকে স্বরণ করা এবং নিজের পাপের জন্যে কান্নাকাটি করা।
(১৬) অনর্থক কথা ও কাজ বর্জন করা।
(১৭) বাবা-মায়ের সাথে ভালো ব্যবহার করা। তাদের প্রয়োজন পূরণ করা।
(১৮) মুসলমানদের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ বর্জন করা এবং সবসময় তাদের প্রতি সদয় থাকা, তাদের জন্য কল্যানকামী হওয়া।
(১৯) পাপ ও পাপের আসর বর্জন করা।
(২০) গীবত থেকে দূরে থাকা।
(২১) মৃত্যুকে স্বরণ করা এবং পরকালের আশায় জীবন কাটানো।
(২২) দুনিয়া নিয়ে মত্ত না থাকা, পরকালকেই জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বানানো।
(২৩) মানুষকে খুশি করার চাইতে আল্লাহকে খুশি করাকে প্রাধান্য দেওয়া।
(২৪) ক্ষুদার্ত মানুষকে খাদ্য দেওয়া।
(২৫) দান করা।
(২৬) অশ্লীল কথা না বলা, যারা বলে তাদেরকে বর্জন করা।
(২৭) তাক্বদীরকে মেনে নেওয়া, এবং আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট ও কৃতজ্ঞ থাকা।
(২৮) আল্লাহর উপর ভরসা করা।
(২৯) আল্লাহর উপর, পরকালের উপর বিশ্বাসকে দৃঢ় করা।

(৩০) বিপদগ্রস্থ ও অসহায় মুসলিমদের জন্যে দুয়া করা। 

বুধবার, ৯ মার্চ, ২০১৬

Subject : নোমান আলী খান // Celebrity Muslim Speaker

Subject : নোমান আলী খান // Celebrity Muslim Speaker
_____________________________
- Posts written by Ansarus Sunnah -
_____________________________
আকিদাহ এবং তাওহীদ নিয়ে আমেরিকান কিছু বক্তাদের চিন্তা-ভাবনা
http://ansarus-sunnah.blogspot.com/2015/06/et-al.html
_____________________________
এমন কোন ব্যক্তির তাফসীর শোনা যাবে?
http://ansarus-sunnah.blogspot.com/2015/08/blog-post_85.html
_____________________________
নোমান আলী খানের হাদীস ছাড়া ক্বুরানের তাফসীর কতটুকু গ্রহণযোগ্য?
http://ansarus-sunnah.blogspot.com/2015/08/blog-post_85.html
_____________________________
নোমান আলী খান আল্লাহ কোথায় আছেন
http://ansarus-sunnah.blogspot.com/2015/06/blog-post_18.html
_____________________________
নোমান আলী খান এর আলেমদের কিছু নমুনাঃ
http://ansarus-sunnah.blogspot.com/2015/06/blog-post_18.html
_____________________________
- Lecture on the deviation spread by NAK -
_____________________________
Nouman Ali Khan & the Fake "Pokieman" Hadeeth - By Moosaa Richardson
https://www.youtube.com/watch?v=x649t47ZAZQ
_____________________________
Nouman Ali Khan DISTORTING QURAN VERSES | Advice Part 2
https://www.youtube.com/watch?v=BlBT9WKA7to
_____________________________
Debunking the NAK "Quran Expert" Scheme - Ustaadh Moosaa Richardson
https://www.youtube.com/watch?v=LmF6ZPOck14
_____________________________
The Ambiguous Bayyinah | Abu Mussab Wajdi Akkari
https://www.youtube.com/watch?v=TY09lWKFIOs
_____________________________





সোমবার, ৭ মার্চ, ২০১৬

তোমার কষ্ট বেশি নয় বন্ধু!

তোমার কষ্ট বেশি নয় বন্ধু!
তোমার থেকে অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছেন আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এ জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ, আল্লাহর নিকট সবার চাইতে প্রিয়তম বান্দা. . .এতো বড় মর্যাদা থাকা সত্ত্বেও কত কষ্ট পেয়েছেন তিনি, তাহলে তুমি কে? তুমি তাঁর কথা স্বরণ করে সান্ত্বনা নাও। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ মসিবতে (অর্থাৎ দুঃখ-কষ্ট কিংবা বিপদ-আপদে) পড়ে, তখন সে যেন আমার জীবনের মসীবতের কথা স্বরণ করে (সান্ত্বনা নেয়)। কারণ আমার জীবনের মসীবত তোমাদের সবার মসিবতের চাইতে বড়। [ইবনে সাদ, সহীহুল জামিঃ ৩৪৭]
(১) মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্মের পূর্বে, মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থাতেই তাঁর পিতা মারা যান, ছয় বছর বয়সে তাঁর মাতাও ইন্তিকাল করেন, আট বছর বয়সে দাদা ইন্তিকাল করেন।
(২) নামাযের সেজদারত অবস্থাতে তাঁর ঘাড়ে উটের নাড়ি-ভূড়ি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এতো ভারী ছিলো যে, সেই নাড়ি-ভূড়ির কারণে তিনি সেজদাহ থেকে মাথা তুলতে পারছিলেন না।
(৩) তায়েফে পাথর মেরে মেরে তাঁকে এতো আহত করার হয়েছিলো যে, শরীরের আঘাত থেকে রক্তের ধারা প্রবাহিত হয়ে তাঁর দুইপা রঙ্গিন হয়ে হয়েছিলো।
(৪) নিকট আত্মীয়-স্বজনদেরকে সহ তাঁকে একঘরে করে শিবে আবী তালেব নামক একটি পাহাড়ের উপত্যকায় দুই বা তিনি বছর ধরে অবরোধ করে রাখা হয়েছিলো। সে সময় খাবার না পেয়ে, চরম দারিদ্রতা ও ক্ষুদার কারণে তাঁরা সবাই পশুর চামড়া এবং গাছের পাতা চিবিয়ে খেতে বাধ্য হয়েছিলেন।
(৫) এমনকি নিজের মাতৃভূমি থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো। জীবন রক্ষার জন্যে তিনি মদীনাতে হিজরত করে চলে যান।
(৬) তাঁর কত সাথী ও অনুসারীদেরকে হত্যা করা হয়েছিলো।
(৭) উহুদের যুদ্ধে তাঁর দাঁত ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছিলো।
(৮) তাঁর পবিত্র স্ত্রীর চরিত্র সম্পর্কে জঘন্য অপবাদ দেওয়া হয়েছিলো।
(৯) একটি মাত্র মেয়ে ছাড়া তাঁর দুই ছেলে এবং তিন মেয়ে, কলিজার টুকরা মোট ৫জন সন্তান তাঁর জীবদ্দশায় চোখের সামনেই মৃত্যু বরণ করেছিলেন।
(১০) ক্ষুদার তাড়নায় তিনি পেটে পাথর বেঁধেছিলেন, দিনের পর দিন তাঁর বাড়িতে রান্নার জন্যে চুলা জ্বলতোনা।
(১১) লোকেরা তাঁকে পাগল, কবি, মিথ্যাবাদী, জাদুকর ইত্যাদি বলে গালি দিতো।
(১২) কতবার তাঁকে খুন করার চেষ্টা করা হয়েছিলো। একবার তাঁর মাথার উপরে পাথর ফেলে দিয়ে তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো, আল্লাহর তাঁকে রক্ষা করেছিলেন। আরেকবার এক ইহুদী মহিলা খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে দিয়েছিলো। সেই খাবার খেয়ে একজন সাহাবী মৃত্যুবরণ করেছিলেন, আর এই বিষের যন্ত্রনায় কলিজা ছিঁড়ে গেলে যেমন কষ্ট হয়, তেমনি কষ্ট তিনি মৃত্যুর পূর্বে ভোগ করেছিলেন।
এ সব কথাই তো তোমার জানা-শোনা না পড়া আছে।
তুমি আরো জানো যে, করাত দিয়ে চিড়ে যাকারিয়া নবীকে দুই খন্ড করে হত্যা করা হয়েছিলো। যাকারিয়ার পুত্র আরেক ইয়াহইয়া নবীকেও খুন করা হয়েছিলো। ইব্রাহীম নবীকে বিশাল বড় আগুনে ফেলে দেওয়া হয়েছিলো। চরম বালা (পরীক্ষা) দেওয়া হয়েছিলো আইয়ুব নবীকে। মসীবতে ফেলা হয়েছিলো ইউনুস নবীকে। হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিলো ঈসা নবীকে। আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি শান্তি ও দয়া বর্ষণ করুন।
এছড়া মসজিদের ভেতরে নামায পড়া অবস্থাতে খঞ্জর মেরে শহীদ করা হয়েছিলো দ্বিতীয় খলিফা উমারকে। ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ক্বুরান তেলাওয়াত করা অবস্থাতে খুন করা হয়েছিলো তৃতীয় খলিফা উসমানকে। বিষাক্ত ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছিলো চতুর্থ খলিফা আলীকে। আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট থাকুন।
সুতরাং, হে বন্ধু! তুমি তোমার দুঃখ-কষ্টের ব্যপারে ধৈর্য হারিয়ে ফেলোনা। নবী-রাসুল, সাহাবা এবং অলি-আওলিয়া ও নেককার লোকদের মতো তুমিও বিপদে ধৈর্য ধারণ করো। আর তাঁদের মতো এতো বড় বিপদ বা কষ্টে পড়োনি দেখে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করো। আল্লাহর ইবাদতে মনোযোগ দাও, নামায পড়ো, ক্বুরান পড়ো। আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তরগুলো শান্তি পায়। সুতরাং আল্লাহর যিকির দ্বারা তোমার অন্তরটাকে সুখী রাখো।

মূলঃ শায়খ আব্দুল হামীদ ফাইযীর লিখিত সুখের সন্ধানে, পৃষ্ঠা ৭৬-৭৭। (কিছুটা সম্পাদিত)  

রবিবার, ৬ মার্চ, ২০১৬

সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিনের ফযীলতঃ

সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিনের ফযীলতঃ
আল্লাহর তাআলার অনেক বড় রহমত যে আজ (৬ই মার্চ, ২০১৬) আরেকটি সোমবার পর্যন্ত (ইং শাআল্লাহ) ঈমানদার, মুসলিম হিসেবে তিনি আমাদের আয়ুকে বৃদ্ধি করেছেন। অথচ, গত এক সপ্তাহে আমাদের চাইতে কত কম বয়সে, কত সুস্থ সুন্দর মানুষ এই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেছে। সেইজন্যে আসুন আমরা সকলেই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আমাদের সৃষ্টিকর্তা, আমাদের প্রাণের মালিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বলিঃ  আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহি হামদান কাসীরান ত্বাইয়্যিবান মুবারাকান ফীহ!
যদিও আজকে ফযীলতপূর্ণ একটি দিন শুরু হলো, কিন্তু অনেক মুসলমান এই দিনটির শুরুতেই পাপ কাজে লিপ্ত হয়ে আল্লাহকে ক্রোধান্বিত করছে। আমরা আল্লাহর কাছে তাঁর আজাব ও গজব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। বিশেষ করে বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ যারা নিজেদেকে মুসলমান বলে মনে করে বা দাবী করা, T-20 বিশ্বকাপ ক্রিকেট নামক আধুনিক জুয়ার আসর দেখে বা শুনে তারা নানারকম উশৃংখলা, অবাধ্যতা ও পাপাচারে লিপ্ত হচ্ছে। এই খেলাগুলো দেখা, এদের উপর সন্তুষ্ট থাকা, এদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করা, খেলায় কে কত রান করলো; সেটা নিয়ে গল্প করা বা তা শোনা, বাংলাদেশের পাপী এবং জাহেল খেলায়াড়দেরকে ভালোবেসে বিসিবির লোগো দেওয়া, প্রোপিক চেঞ্জ করা - এইসবগুলো কাজ আল্লাহ ঘৃণা করেন। কারণ এর দ্বারা পাপ কাজ ও পাপী লোকদের প্রতি সমর্থন ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়। সুতরাং, পরকালকে ভালোবাসেন, আল্লাহর সাক্ষাতের আশা রাখেন এমন সৎ মুসলমানদের জন্যে এটা ওয়াজিব (বাধ্যতামূলক) যে, তারা এই ধরণের হারাম কথা ও কাজ সম্পূর্ণভাবে বর্জন করবেন।
আরেকটা কথা বলি, আমি ফেইসবুকে এক লোককে চিনি, যে নিজের মূর্খতা ও হিংসাবশত ভারতীয় উপমহাদেশে আহলুস সুন্নাহর অনুসারী, আহলুল হাদীস জামআতের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে একটা বই লিখে মানুষের মাঝে প্রচার তাদেরকে বিভ্রান্তি করছে। অথচ গত কয়েকদিন ধরে দেখলাম, সেই লোক খেলা দেখার পক্ষে লিখালিখি করছে, এনিয়ে আলেমদের বিরুদ্ধে কথা বলছে। হক্ক কথা হচ্ছে এমন আহাম্মক লোকেরা, যাদের না আছে বিদ্যা না আছে বুদ্ধি, এরাই শিরকী ও বিদাতী দল বা মতবাদের অনুসরণ করে আর সুন্নীদেরকে গালিগালাজ করে, তাদের সাথে শত্রুতা রাখে। আর মানুষের মাঝে যারা নিয়তের দিক থেকে অসৎ, আমলের দিক থেকে পাপী, তারাই এমন নামধারী আলেমদেরকে অনুসরণ করে গোমরাহ হয়। একথার প্রমান হচ্ছে যে, সেই বাজে লেখকের খেলা দেখার পক্ষে লেখাতে দেখলাম তার শত শয় ভক্ত লাইক কমেন্ট করে তার কথার প্রতি সমর্থন করছে। যেমন বক্তা, তেমনি হচ্ছে তার শ্রোতারা! সুতরাং, আলেমের পোশাক পড়া এমন জাহিল ও নির্লজ্জ লোক, যারা মানুষকে সরল পথ থেকে বিচ্যুত করে, আপনারা এমন লোকদের কথা শুনবেন না, এদের দিকে মনোযোগ দেবেন না। এদের মতো নিন্মমানের লোকদেরকে খেলা-ধূলা বা অন্য যেকোন হারাম ও বিদাতের পক্ষে কথা বলতে দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। যাই হোক চলুন আমরা সোমবার ও বৃহস্পতিবারের ফযীলত নিয়ে সহীহ হাদীস পড়ি।
সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিনের ফযীলতঃ
(১) প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার দিন নফল রোযা রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব কারণ, তা ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমল আর এই দুই দিন আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয় মা আয়িশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখাকে প্রাধান্য দিতেন তিরমিযী, সহীহ, শায়খ আলবানী, সহীহ তারগীবঃ ১০২৭
সুতরাং, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণে মাসের যে কোন সোমবার অথবা বৃহস্পতিবারে ১টা, ২টা, ৩টা. . .এইভাবে একজন ব্যক্তির ইচ্ছা, সামর্থ্য ও সুযোগ অনুযায়ী যার যতগুলো ভালো লাগে, ততগুলো রোযা রাখা যাবে ব্যপারে নির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই, যত বেশি রোযা রাখা যায়, বান্দার জন্য তত উত্তম 
নিয়তঃ রাতের বেলা কিংবা সাহরী খাওয়ার পর আজ আমি সোমবার কিংবা বৃহস্পতিবার দিনের নফল রোযা রাখবো মনে মনে এতোটুকু চিন্তা বা সিদ্ধান্ত থাকলেই নিয়ত করা হয়ে যাবে এজন্য বিশেষ কোন আরবী দুয়া পড়তে হবে না উল্লেখ্য, সাহরী খাওয়া সুন্নত, সাহররী খাওয়ার মাঝে অনেক বরকত রয়েছে তবে সাহরী খাওয়ার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কেউ যদি ঘুম থেকে উঠে খেতে না পারে, তাহলে কারো যদি সামর্থ্যে কুলায়, তাহলে নফল-সুন্নত রোযা সাহরী না খেয়েও, ভোরবেলা উঠে নিয়ত করে রাখা যায় সহীহ মুসলিমঃ ১১৫৪ 
(২) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোমবার দিন জন্ম গ্রহণ করেছিলেন, সোমবারেই তাঁকে নবুওয়ত দেওয়া হয় এবং সোমবার দিনেই তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন আবু কাতাদা আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সোমবার দিন রোজা রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তিনি বলেন, এই দিনে আমি জন্মগ্রহণ করেছিলাম এবং এই দিনেই আমাকে নবুওয়াত প্রদান করা হয়েছিলো অথবা, এই দিনে আমার উপর (ক্বুরআন) নাযিল করা হয়েছে সহীহ মুসলিমঃ ১১৬২ 
(৩) সোমবার ও বৃহস্পতিবার এই দুইদিন আল্লাহ তাআলা তাঁর রহমতের উসীলায় মুসলমানদের গুনাহ মাফ করেন তবে এমন দুইজন মুসলমান, যারা পরস্পর সম্পর্ক ছিন্ন করে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা এই গুনাহ থেকে তোওবা করে পুনরায় সম্পর্ক স্থাপন করবে, তারা এই ফযীলত থেকে বঞ্চিত থাকবে আবু হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখতেন একদিন তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন রোযা রাখেন কেনো? তিনি বললেন, আল্লাহ তাআলা সোমবার ও বৃহস্পতিবার এই দুই দিন প্রত্যেক মুসলমানের গুনাহ ক্ষমা করেন কিন্তু পরস্পর সম্পর্ক ছিন্নকারী সম্পর্কে (আল্লাহ বলেন), তাদেরকে ছেড়ে দাও, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা নিজেদের মধ্যে সমঝোতা স্থাপন করে ইবনে মাজাহঃ ১৭৪০ হাদীসটি সহীহ, শায়খ আলবানী, সহীহ আত-তারগীবঃ ১০২৮
(৪) সোমবার ও বৃহস্পতিবার এই দুইদিন কেরামান কাতেবীন অর্থাৎ, সম্মানিত আমল লেখক ফেরেশতারা আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করে থাকেন এই হাদীসটিও আবু হুরারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে রাসুলু্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, সোমবার ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর নিকট বান্দার আমল পেশ করা হয় তাই আমি পছন্দ করি যে, রোযা থাকা অবস্থায় যেন আমার আমলনামা (আল্লাহর) কাছে পেশ করা হয়। তিরমিযীঃ ৭৪৭ হাদীসটি সহীহ, শায়খ আলবানী, সহীহ আত-তারগীবঃ ১০২৭

(৫) সর্বশেষ, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুবরণ করেছিলেন সোমবারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোমবারে মৃত্যুবরণ করার কারণে সোমবার ফযীলতপূর্ণ হয় নি বরং, সোমবারের বিশেষ মর্যাদা হচ্ছে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোমবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, এই দিন তাঁকে নবুওয়াত দেওয়া হয়েছিলো বা কুরআন নাযিল করা হয়েছিলো, এইদিনে বান্দার আমলনামা আল্লাহ তাআলার কাছে পেশ করা হয়, আল্লাহ তালা নিজ রহমতে সোমবার দিন মুসলিম বান্দাকে ক্ষমা করেন, এই কারণে তবে মুসলিম বান্দা হিসেবে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মত হিসেবে আমাদের জানা থাকা উচিত যে, অধিকাংশ আলেমদের নিকট প্রসিদ্ধ এবং গ্রহণযোগ্য মত হচ্ছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এগারো (১১) হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারি, রোজ সোমবার মৃত্যুবরণ করেছিলেন সুহাইলী প্রণীত আর-রওদুল উনফ (৪/৪৩৯-৪৪০), ইমাম ইবনে কাসীর রাহিমাহুল্লাহর আস-সিরাহ আন-নববীয়্যাহ (৪/৫০৯), ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী রাহিমাহুল্লাহর ফাতহুল বারী (৮/১৩০)
হিজরী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আজ ১৪৩৭ হিজরীর জামাদিউল আওয়াল মাসের ২৬ তারিখ। যাদের মাসের তিনটা রোযা এখনো বাকী, ইন শাআল্লাহ আগামীকাল রোযা রাখার জন্যে খুব ফযিলতপূর্ণ একটা দিন। আগামীকাল যারা রোযা রাখবেন, ঢাকা জেলায় সাহরীর শেষ সময় ৫:০১ মিনিট, আর আগামীকাল ইফতারি শুরু ৬:০৪ মিনিট।  

বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ, ২০১৬

স্বর্ণ দিয়ে লিখে রাখার মতো জ্ঞানী ব্যক্তিদের উপদেশ (পর্ব-৫)

ঘরে বাইরে, চতুর্দিক থেকে আজে-বাজে কথার ভীড়ে শায়খ আব্দুল হামীদ ফাইযীর রচিত সুখের সন্ধানে বই থেকে কিছু হৃদয়গ্রাহী কথা শুনুন
____________________________
(১) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, (মহান সৃষ্টিকর্তা এই দুনিয়া ও আকাশমন্ডলী সৃষ্টি করার ৫০ হাজার বছর পূর্বেই সৃষ্টিজগতের ভাগ্যলিপি লাওহে মাহফুজে, যা ইচ্ছা লিখে রেখেছেন [মুসনাদে আহমাদ]
(২) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, (দ্বীন প্রচারের ক্ষেত্রে) তোমরা সরলতা ব্যবহার করো, (মানুষের উপর) কঠোরতা আরোপ করোনা। আর মানুষের মনকে খুশি করো, এবং তাদের মনে ঘৃণার সৃষ্টি করোনা [বুখারী, মুসলিম]
(৩) যার ঈমান যত বড়, তার পরীক্ষা ও দুঃখও তত বড় হয়। যে গাছ যত উঁচু হয়, তাকে তত বেশি ঝড়ের মোকাবেলা করতে হয়। স্বর্ণকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে সেটা খাঁটি নাকি ভেজাল সেটা পরীক্ষা করা হয়।
(৪) সুখ আছে স্বল্প কামনার মাঝে, অধিক ধন-সম্পদের মাঝে নয়।
(৫) নারীর শান্তি হলো স্বামীর অধীনে চলে পবিত্র সংসার করার মাঝে। সেই পরাধীনতায় আছে চরম তৃপ্তি, পরম আনন্দ। মুরগীর কোল তা ছেড়ে যেমন ডিম ঘোলা হয়ে নষ্ট হয়ে যায়, ঠিক তেমনি নারী স্বামীর আদেশ-অনুমতির বাইরে গেলে নষ্ট হয়ে যায়, কষ্ট পায়। স্বাধীনতার মাঝে আনন্দ আছে, কিন্তু সুখ নেই।
(৬) আল্লাহর যিকির শুনে শয়তান পালিয়ে যায়।
(৭) একজন সৎ ও জ্ঞানী বন্ধু ফলদার গাছের মতো, যার নীচে বসলে সুশীতল ছায়া পাওয়া যায় এবং গাছের উপরে উঠলে সুমিষ্ট ফল পাওয়া যায়।
(৮) হে বন্ধু! তুমি কাফেরদের পার্থিব উন্নতি দেখে, তাদের পার্থিব জ্ঞান-বিজ্ঞান দেখে নিজেদেকে হেয় মনে করোনা। তাদের কাছে দুনিয়া আছে, আখেরাত নেই। তোমার তোমার লক্ষ্য আখেরাত, আর তোমার আখেরাত আছে। দুনিয়া পাওয়া তোমার আসল উদ্দেশ্য নয়।
(৯) সর্বশেষ, তুমি ছোট্ট শিশু ঈসা আলাইহিস সালাম-এর মতো বলো, (আল্লাহ) আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, যতদিন জীবিত থাকি, ততদিন যেন আমি নামায পড়ি ও যাকাত আদায় করি, এবং আমার মায়ের প্রতি অনুগত থাকি। আর তিনি আমাকে উদ্ধত ও হতভাগ্য বানননি [সুরা মারিয়ামঃ ৩১-৩২]
____________________________
যারা দুনিয়া এবং আখেরাতের জীবনে সুখী হতে চান অথবা, যারা দুনিয়ার জীবনের পরীক্ষায় পড়ে সুখের সন্ধান করছেন, আমি তাদেরকে আহবান জানাবোঃ আপনারা শায়খ আব্দুল হামীদ ফাইযীর লেখা সুখের সন্ধানে বইটা কিনে একবার পড়ে দেখতে পারেন। আশা করি বইটা আপনাদের অনেক উপকারে আসবে।
বইটা পাবেনঃ তাওহীদ পাবলিকেশানের দোকান, বংশালে। দাম মাত্র ১৩৮ টাকা। এছাড়া ঢাকার কাটাবনে কনকর্ড টাওয়ারের নিচতলায় নতুন একটা দোকান খুলেছে তাসলীম লাইব্রেরী। সেখানে তাওহীদ পাবলিকেশান বা অন্য যেকোন বইয়ের দাম কম রাখে। তারা হোম ডেলিভারীও দেয়। এই বইয়ের দোকানে দিনের বেলায় ফোন করে যেকোন বই অর্ডার করতে পারেন, তারা কম দামে বই কুরিয়ার করে পাঠায়। তাসলীম লাইব্রেরীঃ ০১৯৩৭৭৬৩৯৮২, ০১৯১৯৯৬২৯১৯।

____________________________