রবিবার, ১ মার্চ, ২০১৫

“মুক্তমনা নয় মূত্রমনা”

মুক্তমনা নয় মূত্রমনা
যারা নিজেদের মনগড়া চিন্তাভাবনা ও অলীক মতবাদ (যেমন ডারউইন, এরিস্টটল, ডকিন্স, ফ্রয়েড) এর অনুসারী সেই নাস্তিকরা নিজেদের মুক্তমনাপ্রগতিশীল বলে মনে করে, আর এই পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা যিনি সেই আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীনের বেঁধে দেওয়া জীবন বিধান যারা মেনে চলে তাদেরকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে। আল্লাহ্‌ তাআলা পুরুষদেরকে একাধিক বিয়ে করার অনুমতি দিয়েছেন - বিবেকহীন পশু, দুই পায়ের এই মানুষ শয়তানগুলো এই আইনের বিরুদ্ধে লাগে, কিন্তু নাস্তিকগুরুরা যখন সমকামিতা (নারী-নারী ও পুরুষে-পুরুষে মিলন) ও অজাচার (পিতা-মাতা, আপন ভাই অথবা বোনের সাথে মিলন! নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক!!), এই ধরণের পাশবিক কাজগুলোর পক্ষে তর্ক করে। এমন বিবেকহীন নিকৃষ্ট মানুষ, যাদের স্বাভাবিক মানবিক গুণাবলী লোপ পেয়েছে, তাদের ব্যপারে ক্বুরানুল কারীমের বক্তব্য হচ্ছে,
মহান আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন,
আপনি কি তার দিকে লক্ষ্য করেন নি, যে তার নিজের হাওয়া (প্রবৃত্তিকে) মাবূদ হিসেবে গ্রহণ করেছে? তবুও কি আপনি তার যিম্মাদার হবেন? আপনি কি মনে করেন যে, তাদের অধিকাংশ শোনে অথবা বোঝে? তারা তো চতুস্পদ জন্তুর মত; বরং তার চাইতেও পথভ্রষ্ট।
[সুরা আল-ফুরক্বানঃ ৪৩-৪৪]

মহান আল্লাহ্‌ তাআলা আরো বলেন,
আর আমি সৃষ্টি করেছি জাহান্নামের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ। তাদের অন্তর আছে, কিন্তু তার দ্বারা তারা চিন্তা-ভাবনা করে না, তাদের চোখ আছে কিন্তু তার দ্বারা তারা দেখেনা, আর তাদের কান আছে কিন্তু তার দ্বারা তারা শোনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চাইতেও নিকৃষ্টর। তারাই হল উদাসীন ও শৈথিল্যপরায়ণ।

[সুরা আল-আরাফঃ ১৭৯]

দ্বীনদার কিন্তু ‘গরীব’ একটি ছেলে বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে এল।

=> দ্বীনদার কিন্তু গরীব একটি ছেলে বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে এল। কিন্তু পাত্রি পক্ষ প্রস্তাবে রাযি হল না।

=> আরেকটি বে-নামাজি এবং ফাসেক চরিত্রের ছেলে কিন্তু সে ধনবান প্রস্তাব নিয়ে এল। তার প্রস্তাবে তারা রাযি হয়ে গেল। তারা বলল, আমরা আশা করছি ছেলেটি হেদায়াত হয়ে যাবে, ভাল হয়ে যাবে।

এই যুক্তি তো প্রথম ছেলেটির ব্যাপারেও দেয়া যেত যে, আশা করা যায় আল্লাহ তাকে ধনবান করে দিবেন। হেদয়াতের মালিক ও সম্পদ প্রদানের মালিক কি এক আল্লাহই নন?

মহান আল্লাহ্‌ বলেন-
তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।
সুরা আন নুরঃ ৩২।

কিন্তু আসল ব্যাপার হচ্ছে মানুষ ধন-সম্পদের ব্যাপারে নগদ-নগদ চায়, আর দ্বীনদারী বাকির খাতায় পরে থাক। রাসূল (সাঃ) বলেন, যদি দ্বীনদার ও চরিত্রবান কোন যুবক তোমাদের কাছে বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে আসে, তবে তার সাথে তোমাদের মেয়ের বিবাহ দিয়ে দাও। যদি তোমরা তা না কর, তবে পৃথিবীতে বড় ধরণের ফেতনা হবে বড় ধরণের ফাসাদ হবে। [তিরমিযী, মিশকাত হা/৩০৯০]

মুহাম্মাদ (সাঃ) খালিফা হওয়া সত্ত্বেও তিনি আলী (রাঃ) মত দরিদ্র পাত্রের সাথে তার আদরের কন্যা ফাতিমা (রাঃ) কে বিবাহ দেন অথচ তার চেয়ে অনেক ধনী ব্যক্তির সাথে তিনি দিতে পারতেন কিন্তু তিনি দেননি। এই ব্যাপার গুলো কি আপনারা বুঝেন বা চিন্তা-ভাবনা করেন??

আরেকটি হাদিস পেশ করব, আবু আব্বাস সাহ্‌ল ইবনে সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নাবী (সাঃ) এর পাশ দিয়ে পার হয়ে গেল, তখন নাবী (সাঃ) তার পাশে বসে থাকা এক লোককে জিজ্ঞাস করলেন- আচ্ছা, এই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার মন্তব্য কি? তখন লোকটি বলল- আল্লাহ্‌র কসম! সে কোথাও বিয়ের প্রস্তাব দিলে তা গ্রহণযোগ্য হবে। এবং কারো জন্য সুপারিশ করলে তা কবুল করা হবে। তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) নীরব থাকলেন। কিছুক্ষন পর আকের ব্যক্তি পার হয়ে গেল। তখন নাবী (সাঃ) তার পাশে বসে থাকা লোকটিকে জিজ্ঞাস করলেন- আচ্ছা, এই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার অভিমত কি? তখন লোকটি বলল- হে আল্লাহ্‌র রাসুল! এ তো একজন গরীব মুসলমান। সে এমন ব্যক্তি যে, সে কোথাও বিয়ের প্রস্তাব দিলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। এবং কারো জন্য সুপারিশ করলে তা কবুল করা হবে না এবং সে কোন কথা বললে তা শ্রবণযোগ্য হবে না। তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন এই ব্যক্তি দুনিয়া ভর্তি ঐরূপ ব্যক্তির চাইতে বহু উত্তম।
সহিহ বুখারীঃ ৫০৯১, ৬৪৪৭।


Collected from Shaykh Abdullah al-Kafi

সুন্দর একটি দুয়া মাসুরা


নবী সাল্লাল্লাহু লাইহি ওয়াসাল্লাম এর শেখানো সুন্দর একটি দুয়া মাসুরাঃ
নিচের এই একটি দুয়া পড়ে আল্লাহর কাছে যাবতীয় কল্যানকর বিষয় প্রার্থনা করা যায় এবং যাবতীয় অকল্যানকর বিষয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়। এই দুয়াটি দুয়া মাসুরা হিসেবে পড়া যাবে। প্রতিদিন অন্তত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যা অথবা রাতে যেকোন নামাযের সালাম ফেরানোর পূর্বে দুয়া মাসুরা হিসেবে একবার অথবা যেকোন মুনাজাতে এই দুয়াটা পড়তে পারলে আল্লাহর পক্ষে থেকে কল্যান ও নিরাপত্তা পাওয়া যাবে ইন শা আল্লাহ্‌। যারা আরবীতে মুখস্থ করতে পারবেন না, তারা অন্তত বাংলায় মুখস্থ করে মুনাজাতের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ এই দুয়াটা পড়তে পারনে।   

য়িশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নাবী সাল্লাল্লাহু লাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে এই দুআ শিখিয়ে দিয়েছিলেন,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ قَضَيْتَهُ لِي خَيْرًا

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহি আ-জিলিহী ওয়া আ-জিলিহী মা আলিমতু মিনহু ওয়ামা লাম আলাম। ওয়া আযুবিকা মিনাশ শাররি কুল্লিহি আজিলিহী ওয়া আ-জিলিহী মা আলিমতু মিনহু ওয়ামা লাম আলাম। আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকা আবদুকা ওয়া নাবিয়্যুকা ওয়া আউযুবিকা মিন শাররি মা আযাবিহি আবদুকা ওয়া নাবিয়্যুকা। আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়ামা ক্বাররাবা ইলাইহা মিন ক্বাওলিন আও আমাল, ওয়া আউযুবিকা মিনান্নারি ওয়ামা ক্বাররাবা ইলাইহা মিন ক্বাওলিন আ­­­­­­ও আমাল। ওয়া আসআলুকা আন তাযআলা কুল্লা ক্বাযাইন ক্বাযাইতাহুলি খাইর।
অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি তোমার কাছে যাবতীয় কল্যাণ প্রার্থনা করছি, যা তাড়াতাড়ি আসে এবং যা দেরিতে আসে, যা আমার জানা এবং যা আমার অজানা। আর আমি যাবতীয় অকল্যান থেকে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যা তাড়াতাড়ি আসে এবং যা দেরিতে আসে, যা আমার জানা এবং যা আমার অজানা। হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি তোমার নিকট সেই কল্যাণ ভিক্ষা করছি যা তোমার বান্দা ও তোমার নবী সাল্লাল্লাহু লাইহি ওয়াসাল্লাম তোমার কাছে চেয়েছেন। আর তোমার কাছে ঐসমস্ত অকল্যান থেকে আশ্রয় চাচ্ছি যা হতে তোমার বান্দা ও নবী সাল্লাল্লাহু লাইহি ওয়াসাল্লাম আশ্রয় চেয়েছেন। হে আল্লাহ্! আমি তোমার কাছে জান্নাত এবং আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করে এমন প্রত্যেকটি কথা ও কাজ প্রার্থনা করছি। আর আমি জাহান্নাম এবং জাহান্নামের নিকটবর্তী করে এমন প্রত্যেকটি কথা ও কাজ থেকে তোমার কাছে প্রার্থনা করছি। আর আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি যে, তুমি আমার জন্য যেসব ফায়সালা করে রেখেছ তা আমার জন্য কল্যাণকর করে দাও।

সুনানু ইবনে মাজাহ্ঃ ৩৮৪৬, আহমাদঃ ২৪৪৯৮, হাদীসটি সহীহ।  

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

শাড়ী পড়া যাবে?


মুসলমানদের আদি নিবাস হচ্ছে মক্কা-মদীনা। আরব বিশ্বের কোথাও কেউই শাড়ি পড়েনা। শাড়ি হচ্ছে মূলত ভারতীয় মুশরেক হিন্দুদের পোশাক, যা পড়লে মহিলাদের পেট পিঠ উন্মুক্ত হয়ে থাকে, শরীরের অবয়ব প্রকাশিত হয় যা সম্পূর্ণ হারাম ও অশ্লীলতা। সুতরাং, শাড়ি কোন মুসলমান নারীর পোশাক হতে পারেনা। নারীদের দেখাশোনার দায়িত্ব পুরুষদের উপরে ন্যস্ত। সুতরাং, যেই সমস্ত পুরুষদের অধীনে নারীরা শাড়ি পড়ে বেপর্দা চলাফেরা করে, তারা বোকা এবং দাইয়ুস। যেই পরিবারের পুরুষেরা ঠিক থাকেনা, তাদের নারীরা ঠিক থাকেনা। আজকাল পুরুষেরা হয়ে গেছে গাফেল (উদাসীন), যেই সমস্ত পুরুষেরা স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ন্ত্রনে রাখেনা, তারা ইহকাল ও পরকাল দোনো জাহানেই ক্ষতিগ্রস্থ।
কিছু প্রশ্নের উত্তরঃ
assa admin...tahole ki porbe???
ক্বামিস।
Vai shari jodi hijab mene pore taholeo ki haram hobe???
না হবেনা, কারণ হিজাব অর্থ হচ্ছে রেগুলার পোশাকের উপরে আলাদা একটা কাপড় বা চাদর দিয়ে সারা শরীর ঢেকে দেওয়া।
vai shari pora haram kothay pailen? hadith soho proman den.
শাড়ি পড়লে মহিলাদের পেট পিঠ উন্মুক্ত হয়ে থাকে, শরীরের অবয়ব প্রকাশিত হয় যার কারণে পুরুষদের কাছে আকর্ষণীয় লাগে। পর পুরুষদের আকৃষ্ট করে এমন পোশাক পড়া সম্পূর্ণ হারাম ও অশ্লীলতা।

শরীরে কোনো ব্যথা অনুভব করলে যা করবেন ও বলবেনঃ

শরীরে কোনো ব্যথা অনুভব করলে যা করবেন ও বলবেনঃ
আপনার দেহের যে স্থানে আপনি ব্যথা অনুভব করছেন, সেখানে আপনার হাত রেখে তিনবার বলুন,
«بِسْمِ اللَّهِ»
বিসমিল্লাহ
অর্থঃ (আল্লাহর নামে।)
তারপর সাতবার বলুন,
«أَعُوذُ بِاللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ».
ঊযু বিল্লা-হি ওয়া ক্বুদরাতিহী মিন শাররি মা আজিদু ওয়া উহা-যিরু।

অর্থঃ এই যে ব্যথা আমি অনুভব করছি এবং যার আমি আশঙ্কা করছি, তা থেকে আমি আল্লাহ্‌র এবং তাঁর কুদরতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

মৃত্যুর পূর্বে ও পরের সুন্নত ও বিদআ'ত

মৃত্যুর পূর্বে ও পরের সুন্নত ও বিদআ'তঃ

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
যার জীবনের শেষ কথা হবে
لَا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ
উচ্চারণঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।
অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া আর কোন সত্য মাবূদ (বা উপাস্য) নেই।
সে ব্যক্তি (ক্ষমা পেয়ে সরাসরি অথবা, পাপের শাস্তি ভোগ করার পরে কোন একদিন) জান্নাতে প্রবেশ করবে
আবু দাউদঃ ৩/১৯০, হাদীসটি সহীহ, শায়খ আলবানী সহীহ তিরমিযীঃ ৩/১৫২।

একারণে মৃত্যু পথযাত্রীর সামনে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে তাকে কালেমা স্বরণ করিয়ে দিতে হবে। উল্লেখ্য, সুরা ইয়াসীন বা অন্য কোন দুয়া/সুরা পড়লে মওতের কষ্ট, মৃত ব্যক্তির অথবা কবরে শায়িত ব্যক্তির আজাব মাফ হয়, এই হাদীস সহীহ নয়। সুতরাং নামধারী আলেম যারা আসলে অল্পশিক্ষিত হুজুর তাদেরকে ভাড়া করে এনে অথবা আত্মীয়-স্বজন নিজেরা মিলে মূমুর্ষূ ব্যক্তি, মৃত লাশ বা কবরের সামনে ক্বুরান তেলাওয়াত করা, ক্বুরান খতম দেওয়ানো বিদাত।


এইরকম বিদআত করলে সম্ভাবনা আছে উল্টা মৃত ব্যক্তিকে আরো বেশি শাস্তি দেওয়া হতে পারে। সেইজন্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা পূর্বেই পরিবারের লোকদেরকে ওয়াসীয়ত করে যাবেন, কারো মৃত্যুর পরে আত্মীয়-স্বজনরা যেন চিতকার করে কান্নাকাটি ও বুকফাটা বিলাপ, বুকে ও মাথায় হাত চাপড়ানো, কাপড় ছিড়ে ফেলা, মেজবানী খাওয়ানো, কোন ধরণের বিদাতী দুয়া, দুরুদ, মিলাদ-কিয়াম, ফাতেহা পাঠ, চিল্লা-চল্লিশা, কুলখানি, মৃত্যুবার্ষিকী, স্বরণসভা, ২-৪ মিনিট নীরবতা পালন করা. . .এমন কোন অনুষ্ঠান পালন না করে। এই সবগুলো কাজ নিকৃষ্ট হারাম ও মারাত্মক বেদাত। এইগুলো আত্মীয়-স্বজন বা বনধু-বান্ধবদের মাঝে কেউ করলে আপনারা এমন বিদাতি দাওয়াতে শরীক হবেন না, সেইগুলোতে বিলানো কোন খাবার খাবেন না অথবা এইগুলোতে কোনভাবে সাহায্যও করবেন না।

শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

এমন কিছু যা দুঃখ দূর করে মনে শান্তি নিয়ে আসতে পারেঃ

আমাদের সবারই কম-বেশি মন খারাপ হয়. . .
এমন কিছু যা দুঃখ দূর করে মনে শান্তি নিয়ে আসতে পারেঃ
১. জামাতে নামায পড়া।
২. জামাতের প্রথম কাতারে নামায পড়া।
৩. ওযু করা. . .আশ্চর্যজনকভাবে মনকে পরিবর্তন করে দিতে পারে, বিশেষ করে ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করার জন্য।
৪. নির্জনে পছন্দের ক্বারীদের কন্ঠে প্রিয় কিছু আয়াত বারবার শোনা।
৫. অসুস্থ অবস্থায় মা যখন মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়।
৬. নিজের কৃত পাপের জন্য অশ্রু সহকারে নির্জনে আল্লাহর কাছে তোওবা-ইস্তেগফার করা, দুয়া করা ও তাঁর কাছে সাহায্য চাওয়া।
৭. ক্বুরান ও সহীহ হাদিসে বর্ণিত নবী-রাসুলদের কাহিনীগুলো পড়া।
৮. ক্বুরানের কোন সুরা অথবা কোন দুয়া মুখস্থ করা।
৯. বড় আলেমদের জীবনী ও তাদের উপদেশ শোনা অথবা পড়া।
১০. দীর্ঘদিন পরে নিজ পরিবারে প্রত্যাবর্তন করা অথবা পরিবারের লোকদের সাক্ষাত পাওয়া।
১১. এমন কোন স্বপ্ন দেখা যা আল্লাহর পক্ষ থেকে শুভ সংবাদ বলে ধারণা হয়।
১২. নফল রোযা রাখা।