রবিবার, ৩১ মে, ২০১৫

‘শবে বরাত’ এর রোযা সম্পর্কে বিস্তারিত

আজ ১৩ই শাবান, ১৪৩৬ হিজরী।
___________________________
প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ এই তিন দিন রোযা রাখা মোস্তাহাব, যাকে আইয়ামে বীজ এর রোযা বলা হয়।আইয়ামে বীজ এর রোযা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্যে আমাদের এই পোস্ট দেখুন
___________________________
***প্রত্যেক মাসে তিনটি করে রোযা রাখা মুস্তাহাবঃ
https://www.facebook.com/Back.to.Allah.bangla/photos/a.130928300273259.14132.125167817515974/746199228746160/
___________________________
রমযানের প্রস্তুতি হিসেবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাবান মাসে বেশি বেশি নফল রোযা রাখতেন। সেই সুন্নাহ হিসেবে কেউ ইচ্ছা করলে শাবান মাসের এই তিন দিন রোযা রেখে অনেক সওয়াব অর্জন করতে পারেন। উল্লেখ্য, শবে বরাত উপলক্ষ্যে রোযা রাখা ও সারা রাত নফল রোযা রাখার বিধান কোন একটি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত হয়নি, এ সম্পর্কে সবগুলো হাদীস জাল নয়তো জয়ীফশবে বরাত সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্যে আমাদের এই পোস্ট দেখুন
___________________________
প্রশ্নঃ শাবানের মধ্যরাত্রি বা শবে বরাত উদযাপন করা যাবে কি?
http://ansarus-sunnah.blogspot.com/2014/06/blog-post_413.html
___________________________
সুতরাং আপনারা যারা রোযা রাখতে ইচ্ছুক, তারা শাবান মাসের আইয়ামে বীজ এর রোযার নিয়তে রোযা রাখবেন, শবে বরাতের রোযা এমন নিয়ত করবেন না। আর ১৫ই শাবান উপলক্ষ্যে সারা রাত জেগে নফল নামায পড়ার কোন দলিল নেই। সুতরাং, যার ইচ্ছা যে কোন দিন তাহাজ্জুদ এর নামায পড়বেন, কোন বাঁধা-ধরা নিয়ম নেই। কিন্তু শবে বরাতকে উপলক্ষ্য করে সারা রাত জেগে নফল নামায পড়ার বিধান ক্বুরান ও সুন্নাহয় নেই।
___________________________
আগামী কাল ঢাকায় সাহরীর শেষ সময়ঃ ৩:৪০ মিনিট এবং ইফতার শুরুঃ ৬:৪১ মিনিটে। 
___________________________
[এ সম্পর্কিত কারো কোন প্রশ্ন থাকলে বলুন]
___________________________
বিনীত,

আনসারুস সুন্নাহ

বুধবার, ২৭ মে, ২০১৫

“হাইয়্যা আ’লাল ফালাহ” vs বেনামাযী

প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত ফরয সালেতের আযানে মোট ১০বার করে ঘোষণা করা হয়,
হাইয়্যা আলাল ফালাহ
- আসো, তোমরা কল্যানের দিকে আসো।
অথচ, কোটি কোটি মুসলমান যারা নিজেদেরকে ঈমানদার, মুসলমান দাবী করে, কিন্তু ঈমান কি; ইসলাম কি তা জানেনা, তারা চিরস্থায়ী কল্যান (সালাতকে) বাদ দিয়ে দুনিয়াবী সাময়িক কল্যানের দিকে ছুটে বেড়ায়। এমন লোকদের সম্পর্কে সুরা মারিয়মে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন,
অতঃপর তাদের পরে এল কিছু অপদার্থ শ্রেণীর লোক, যারা তাদের সালতকে নষ্ট করল এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসারী হল। তারা অচিরেই তাদের পথভ্রষ্টতার ফল ভোগ করবে। কিন্তু তারা ব্যতীত, যারা তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎ আমল করে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের উপর কোন জুলুম করা হবেনা।

[সুরা মারিযামঃ ৫৯-৬০]

“Online Dhaka Guide” নামের একটা পেইজের একটা লেখা

অধিকাংশ মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও
করে।’’ [সুরা ইউসুফঃ ১০৬]
______________________
এইমাত্র Online Dhaka Guide নামের একটা পেইজের একটা লেখা আমার চোখে পড়লো...যেখানে তারা নিউজ করেছে,
স্থানীয় (ইন্দোনেশিয়ানদের) বিশ্বাস, আয়াম চেমানি হলো জাদুর মোরগ। এই মোরগের নাকি ঐশ্বরিক ক্ষমতা আছে (নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক)! আর এই লোকবিশ্বাসের কারণেই আয়াম চেমানির দাম এত বেশি। এশিয়ায় আয়াম চেমানি বেশি জনপ্রিয় এর মাংসের জন্য। কালো মাংসে কোনো ঐশ্বরিক ক্ষমতা রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন অনেকে।
______________________
নাউযবিল্লাহি মিন যালিক! মোরগের কাছে নাকি ঈশ্বরের ক্ষমতা! কত বড় ডাহা শিরকি আকিদাহ!! নিজেদের পেইজ বা পত্রিকার লাইক/শেয়ার বাড়ানোর জন্য কিছু জাহেল লোকেরা এইরকম চমকপ্রদ, মনভোলানো শিরকি/কুফুরী কথা প্রচার করে বেড়ায়। আর নয়তো নষ্ট চরিত্রের লোভী পুরুষদেরকে আকর্ষণ করার জন্য যৌন উত্তেজক ছবি, কথা বা কাহিনী প্রচার করে। আপনারা এই ধরণের কোন ব্যক্তি, পেইজ, পত্রিকা, টিভি দেখবেন না, তাদের লেখা পড়বেন না বা শুনবেন না। যারা এইগুলো পড়ে, দেখে অথবা শুনে, তাদের অন্তরগুলো আসলে ঐ খবিস লোকদের মতোই।
______________________
এইরকম ইসলাম বিরোধী, খবিস কথা-বার্তা প্রচার করার জন্য কুখ্যাত কিছু মিডিয়ার নামঃ
১. প্রথম আলো, bdnews24 সহ এমন অন্যান্য ধর্মবিদ্বেষী পত্রিকা ও চ্যানেলগুলো।
২. রেডিও মুন্নার, রেডিও আমার...মতো শয়তানদের পেইজগুলো যারা ইসলামের নামে ভন্ডামি প্রচার করে সরলমনা মুসলমানদেরকে বোকা বানাচ্ছে
৩. দেশি-বিদেশী টিভি চ্যানেলগুলো যেইগুলোর মেইন কাজ হচ্ছে নাটক-সিনেমা নামে অশ্লীলতা ও যৌনতা প্রচার করা।
৪. অশ্লীল ও নাটক সিনেমার টিভি, ম্যাগাজিন, পত্রিকা সহ আরো অন্যান্যরা।  
______________________

#আনসারুস_সুন্নাহ।

শনিবার, ২৩ মে, ২০১৫

নারীদের জন্য একাকী সফর করা হারামঃ


_____________________
নারীদের জন্য একাকী সফর করা হারামঃ
_____________________
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
যে নারী আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে জেনে রাখ! তার জন্য অনুমতি নেই যে সে আপন স্বামী অথবা মাহরাম পুরুষ ছাড়া সফর সমান দূরত্বে একাকী ভ্রমণ করব্ব।
সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৩৮।
_____________________
এমনকি কোন নারী হজ্জের উদ্দেশ্যেও মক্কাতেও একাকী যেতে পারেনাঃ
_____________________
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
কোন নারী নিজ মাহরাম সংগী ছাড়া একাকী সফর করবেনা।
তখন উপস্থিত এক সাহাবী আরয করলেন, আমি তো অমুক জিহাদে যাচ্ছি। আর এদিকে আমার স্ত্রী হজ্বে যেতে যাচ্ছে। (আমি কি করবো)? জিহাদে বের হবো, নাকি স্ত্রীর সাথে হজ্বের সফরে বের হব।? কারণ আমি ছাড়া তার অন্য কোন মাহরারম সঙ্গী নেই।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
তুমি জিহাদে না গিয়ে তোমার স্ত্রীর সাথে হজ্বের সফরে যাও।
সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ৩০০৬।
_____________________
নারীদের মাঝে অনেকেই দ্বীন শিক্ষা করেনা, মানাতো দূরের কথা, হালাল-হারাম কি সেটাই জানেনা। জাহান্নামে নারীরা বেশিঃ
_____________________
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
আমি জান্নাতের প্রতি দৃষ্টিপাত করে দেখলাম তার অধিকাংশ অধিবাসী দরিদ্র, আর আমি জাহান্নামের প্রতি দৃষ্টি করে দেখলাম যে তার অধিকাংশ অধিবাসী হচ্ছে নারী।
জামি তিরমিযী।
_____________________
ইসলামের কোন বিষয়কে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা বা হেয় মনে করা কুফুরী এবং মুনাফেকের লক্ষণঃ
_____________________
আজকাল হরহামেশা অনেক লেখক, সাহিত্যিক ইসলাম নিয়ে তির্যক লেখা লিখেন, না জেনে বা না বুঝে এ বিষয়ে পান্ডিত্য দেখাতে গিয়ে ডুবে যান কুফুরীর অতল সাগরে। মুসলমানী নামটুকু ছাড়া তার আর কিছুই বাকী থাকেনা। আল্লাহ পাক এমন লোকদেরকে বলছেন,
(হে নবী!) আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, তারা বলবে, আমরাতো হাসি তামাশা করছিলাম। আপনি বলে দিন, তোমরা কি আল্লাহকে নিয়ে এবং তার আয়াতসমূহ ও তার রাসুলকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করছ? তোমরা কোন অযুহাত দেখিয়ো না, তোমরা তো ঈমান আনার পরে কুফুরী করে ফেলেছো। [সুরা তওবাঃ ৬৫-৬৬]
তোমরা কি কিতাবের কিছু অংশকে বিশ্বাস কর এবং কিছু অংশকে প্রত্যাখান কর? তোমাদের যারা এমন করে তাদের পার্থিব জগতে লাঞ্ছনা ও অবমাননা ছাড়া আর কী প্রতিদান হতে পারে? এবং ক্বিয়ামতের দিন তারা কঠিন শাস্তির মধ্যে নিক্ষিপ্ত হবে, আর তারা যা করে সে সম্পর্কে আল্লাহ্ গাফেল নন।
সুরা আল-বাক্বারা, আয়াত নং- ৮৫।
মুনাফেকদের প্রথম পরিচয় ছিল, তারা মুসলমানদেরকে নিয়ে হাসি তামাশা করতো, তাদেরকে বোকা ভাবতো। আল্লাহ পাক তাদেরকে ধমক দিয়ে বলেছেন, তারাই বোকা অথচ নিজেরা তা জানে না। [সুরা আল-বাকারাহঃ ১৩]
ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যদি স্বেচ্ছায় কিংবা কেউ যদি স্পষ্টভাবে এমন কোন কথা বলে যা আল্লাহ ও তার রাসূলের কোন বিধানকে তুচ্ছ করে, তা অবশ্যই কুফুরী।
ইমাম কুরতুবী (রহঃ) লিখেছেন, মজা করার জন্য হোক কিংবা সত্যি সত্যিই হোক, ইসলামের কোন সাধারণ বিষয় নিয়ে হাসি তামাশা করা কুফুরী। এতে কারো দ্বিমত নেই।
ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) বলেন, দ্বীনের যে কোন স্পষ্ট বিষয় নিয়ে ঠাট্টা করা কুফুরী। যে এমন করল তার ঈমান ধ্বংস হয়ে কুফুরীতে পরিণত হল।
_____________________

বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০১৫

সবার প্রথম ‘তাওহীদ’ এর জ্ঞান অর্জন করুনঃ

সবার প্রথম তাওহীদ এর জ্ঞান অর্জন করুনঃ
-     আনসারুস সুন্নাহ  
__________________________
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
দ্বীন শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও নারীর উপরে ফরয।
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীসটি হাসান।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকাল অধিকাংশ মুসলমান নারী ও পুরুষেরা দ্বীন শিক্ষা করার ফরয দায়িত্বকে অবহেলা করেছে, ফলে সমাজে নিজেকে মুসলমান দাবী করে কিন্তু ফাসিক্ব, জালিম, বেনামাযীর সংখ্যা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বীন শিক্ষা করার ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে তাওহীদ সম্পর্কে জানতে হবে। এ প্রসংগে ইমাম মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর কিছু মূল্যবান কথা।
__________________________
বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ (কোন আমল) কিভাবে করেছো, এটির উপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। কিন্তু সেই আমল কেন করতে হবে এ বিষয়টির প্রতি তেমন কোন গুরুত্বই দেয়না। তারা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অনুসরণের ব্যাপারে খুঁটিনাটি বিষয় জানতে চায়। কিন্তু আকীদাহ (ধর্মীয় বিশ্বাসের) উপরে কোন গুরুত্ব দেয়না। দুনিয়াবি বিষয়ে মানুষ খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। অথচ তার অন্তর আল্লাহ (আক্বীদাহ, ইখলাছ ও তাওহীদের বিষয়) সম্পর্কে সম্পূর্ণ গাফেল। মূলতঃ দেখা যায় কতিপয় মানুষ বর্তমানে দুনিয়া পূজারী হয়ে গেছে। অথচ সে টেরও পাচ্ছে না। অনেক মানুষ আল্লাহর সাথে শিরকে লিপ্ত হয়েছে। অথচ সে সেটা অনুভবও করতে পারে না। আকীদার বিষয়টি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আলেম সমাজ পর্যন্ত অনেকেই গুরুত্ব প্রদান করে না। এ বিষয়টি খুবই ভয়াবহ। অবশ্য বিনা আমলে শুধু মাত্র আকীদার উপরে গুরুত্ব দেয়াও ভুল। কারণ আমল হল আকীদা সংরক্ষণের জন্য প্রাচীর স্বরূপ। আমরা রেডিও-টিভি এবং পত্র-পত্রিকায় শুনতে পাই যে, পরিচ্ছন্ন আকীদাই হল দ্বীন। আমল না করে এভাবে শুধুমাত্র আকীদার উপরে গুরুত্ব দেয়াতে দ্বীনের কিছু কিছু হারাম বিষয়কে হালাল করে নেয়ার আশংকা রয়েছে। এই যুক্তিতে যে, আকীদা ঠিক আছে।
মোট কথা এই যে, মানুষের উপর আকীদার বিষয়গুলো শিক্ষা করা ওয়াজিব (আবশ্যক)। যাতে করে তারা আল্লাহর নাম, তাঁর গুণাবলী এবং কর্মক্ষমতা ও তাঁর বিধানাবলী সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখতে পারে। সে যেন নিজে বিভ্রান্ত না হয় এবং অপরকেও বিভ্রান্ত না করে। তাওহীদ এর জ্ঞান হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞান। এ জন্য বিদ্বানগণ ইলমে তাওহীদকে ফিকহে আকবার বা সর্বশ্রেষ্ঠ ফিকহ বলে নাম রেখেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন।
দ্বীনের জ্ঞানের মধ্যে তাওহীদের জ্ঞানের গুরুত্ব সর্বপ্রথম। তাই মানুষের উপর আবশ্যক হল, এ বিষয়টির উপর গুরুত্ব প্রদান করবে যে, কিভাবে সে তাওহীদের জ্ঞান অন্বেষণ করবে এবং কোন উৎস থেকে তা অর্জন করবে। প্রথমে সন্দেহ মুক্ত ও সুস্পষ্ট বিষয়গুলোর জ্ঞান অর্জন করবে। অতঃপর বিদ্‌আত ও সন্দেহ পূর্ণ বিষয়গুলোর শিক্ষা অর্জন করার পর সঠিক আকীদার আলোকে তার উত্তর দিবে। আকীদার সাথে সম্পৃক্ত বিষয়গুলোর জ্ঞান অবশ্যই কুরআন, সুন্নাহ এবং সাহাবীগণের বক্তব্য অতঃপর তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ীনে কেরাম এবং পরবর্তী যুগের নির্ভরযোগ্য আলেমগনের লেখনী ও বক্তব্য থেকে গ্রহণ করতে হবে। তাদের মধ্যে থেকে শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া এবং তাঁর সুযোগ্য ছাত্র ইবনুল কাইয়্যিমের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ফতোয়া আরকানুল ইসলামঃ ঈমান অধ্যায়, প্রশ্ন নং ৬০।

__________________________

বুধবার, ২০ মে, ২০১৫

বিয়ে করার বিধান কি?

প্রশ্নঃ আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন?আমার প্রশ্ন হচ্ছে,
ক. বিবাহ করার বিধান কি? ফরজ না সুন্মত???
খ. আমি যদি বিবাহ করার জন্য দীনদার মেয়ে খুঁজে না পাই, তখন বেদ্বীন মেয়ে বিবাহ করব, নাকি বিবাহ করা থেকে বিরত থাকব???
জানালে উপকৃত হব!!
______________________
উত্তরঃ ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি বারাকাতুহু।
আলহামদুলিল্লাহ ভালো, আপনি কেমন আছেন?
______________________
ক. বিয়ে করার বিধান কয়েক প্রকারঃ
১. যার বিয়ে করার সামর্থ্য আছে কিন্তু বিয়ে না করলে তার চরিত্র নষ্ট হয়ে অবৈধ সম্পর্কে ও জিনায় লিপ্ত হবে, তার জন্য বিয়ে করা ফরয।
২. যার বিয়ে করার সামর্থ্য আছে কিন্তু বিয়ে না করলেও চরিত্র ঠিক থাকবে তার জন্য বিয়ে করা সুন্নাহ অথবা মুস্তাহাব। তার বিয়ে করা উচিত।
৩. যার বিয়ে করার সামর্থ্য নেই, স্ত্রীর হক্ক আদায় করতে পারবেনা তার জন্য বিয়ে করা হারাম।
______________________
খ. দ্বীনদার কাউকে খুঁজে না পেলে আরো খুজতে হবে এবং তার জন্য আল্লাহর কাছে দুয়া করতে হবে। দ্বীনদার স্বামী/স্ত্রী না পাওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে। একটা বেদ্বীন স্বামী অথবা স্ত্রী কারো জীবন নষ্ট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ঠ। সুতরাং, অভিশপ্ত প্রেম-ভালোবাসার খপ্পরে পড়ে, রূপ-সৌন্দর্য, ধন-সম্পদ দুনিয়াবী শিক্ষা-দীক্ষার ধোকায় পড়ে কোন ফাসেক ও বেদ্বীনকে বিয়ে করা ঠিক নয়। এতে অনেক ফাসাদ রয়েছে।

______________________

সোমবার, ১৮ মে, ২০১৫

Sheikh Tauseef Ur Rahman position on ISIS, Dr. Zakir Naik, Mufti Menk and Ahlul Hadeeth organisation : _________________________

Sheikh Tauseef Ur Rahman position on ISIS, Dr. Zakir Naik, Mufti Menk and Ahlul Hadeeth organisation :
_________________________

Talked to Sheikh Tauseef Ur Rahman today (07/02/15), his position on Daesh (ISIS) is clear. They are khawarij and their shouldn't be any doubt about that. He said no matter how much people speak and get deceived by them scholars like Sheikh Souheymi, Sheikh Fawzaan, and Sheikh Al Sheikh have made the issue clear.
_________________________
His position on Dr. Zakir Naik is that Zakir has a lot of khair (goodness) and he is an expert in his field, and he prays for his mistakes to be cleared and forgiven.
_________________________
His position on Ismael Menk is that, he is not to be listened as he specialized in Deobandi madrassah in Gujraat and when a jamah is clearly misguided then their should be distance from them.
_________________________
His position on the Ahlul Hadeeth organisation is that their should be cooperation in Khayr and abandonment in siasi (political) masail. We do not support the siasi perspective of these groups and we pray for their hidayah.
_________________________
Allah knows best,
Wasalam o aleykum
_________________________
post written by Abu Ishaaq​