বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

আল্লাহ তাআ'লার পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় পাওয়ার জন্য শর্ত

হিযবুত তাহরীর এর অল্পবয়সী যুবক ভাইয়েরা রাস্তায় রাস্তায় পোস্টার লাগিয়ে খিলাফত কায়েম করার আকাশ-কুসুম স্বপ্ন দেখছে, অথচ তারা জানেনা কিভাবে নুসরাহ পাওয়া যায়। আল্লাহ তাআ'লার পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় পাওয়ার জন্য শর্ত কি দেখুনঃ
__________________________
Allah, may He be exalted, says (interpretation of the meaning):
I seek refuge in Allah from Shaitan, the accursed one.
Allah has promised those among you who believe, and do righteous good deeds, that He will certainly grant them succession to (the present rulers) in the earth, as He granted it to those before them, and that He will grant them the authority to practise their religion, that which He has chosen for them (i.e. Islam). And He will surely give them in exchange a safe security after their fear (provided) they (believers) worship Me and do not associate anything (in worship) with Me. But whoever disbelieved after this, they are the Fasiqoon (rebellious, disobedient to Allah).
And perform As-Salat (Iqamat as-Salat), and give Zakat and obey the Messenger (Muhammad SAW) that you may receive mercy (from Allah)
[an-Noor 24:55, 56].
__________________________
বিতাড়িত শয়তানের কুমন্ত্রনা হতে আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
৫৫. তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকতৃত্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই তাদেরকে সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। (আমি যাদেরকে সাহায্য করবো) তারা শুধুমাত্র আমার ইবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য।
৫৬. নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রসূলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।
সুরা নুরঃ ৫৫-৫৬।
__________________________
Al-Haafiz, Imam Ibn Katheer (may Allah have mercy on him) said in explanation of this verse:
This is a promise from Allah to His Messenger (blessings and peace of Allah be upon him) that He will cause his ummah to gain authority in the land, i.e., become leaders of people and rulers over them, and by means of them the peoples affairs will be put right and the people will submit to their rule, and after having being afraid of the people, they will enjoy security and will rule over them. And He, may He be glorified and exalted, did indeed do that, may He be praised. The Messenger of Allah (blessings and peace of Allah be upon him) did not die until Allah enabled him to conquer Makkah, Khaybar, Bahrain, the entire Arabian Peninsula and all of the land of Yemen; he took the jizyah from the Magians of Hajar and from some of the border regions of greater Syria. Heraclius, the ruler of Byzantium, exchanged gifts with him, as did the ruler of Egypt and Alexandria, al-Muqawqis, the kings of Oman, and the Negus, the ruler of Abyssinia, who came to the throne after Ashamah, may Allah have mercy on him and honour him.
Then when the Messenger of Allah (blessings and peace of Allah be upon him) died, and Allah chose for him that which is with Him of honour, Abu Bakr as-Siddeeq became the ruler (caliph) of the Muslims. End quote.
- Tafseer Ibn Katheer: 6/77.
__________________________
অনুরূপভাবে সুরা হাজ্জের ৪০ ও ৪১ নাম্বার আয়াতের তর্জম ও তাফসীরে আরো বিস্তারিত আলোচনা পাবেন।
__________________________
Allah, may He be exalted, says (interpretation of the meaning):
Those (Muslim rulers) who, if We give them power in the land, (they) order for Iqamat-as-Salat. (i.e. to perform the five compulsory congregational Salat (prayers) (the males in mosques)), to pay the Zakat and they enjoin Al-Maroof (i.e. Islamic Monotheism and all that Islam orders one to do), and forbid Al-Munkar (i.e. disbelief, polytheism and all that Islam has forbidden) (i.e. they make the Quran as the law of their country in all the spheres of life). And with Allah rests the end of (all) matters (of creatures)
[al-Hajj 22:41].
"আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদেরকে সাহায্য করবেন, যারা আল্লাহর সাহায্য করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী শক্তিধর। (আমি যাদেরকে সাহায্য করবো) তারা হচ্ছে এমন লোক যাদেরকে আমি পৃথিবীতে শক্তি-সামর্র্থ্য দান করলে তারা নামায কায়েম করবে, যাকাত দেবে এবং সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করবে। প্রত্যেক কর্মের পরিণাম আল্লাহর এখতিয়ারভূক্ত।
সুরা হাজ্জ ৪০-৪১।
__________________________
Shaykh Muhammad al-Ameen ash-Shinqeeti (may Allah have mercy on him) said, after quoting verses which mention the help of Allah, may He be exalted, to the believers:
The words Those (Muslim rulers) who, if We give them power in the land [al-Hajj 22:41] indicate that there is no promise of help from Allah unless the believers establish prayer, give zakaah, enjoin what is right and forbid what is wrong. If Allah gives power in the land to some people, and grants them authority, yet despite that they do not establish prayer or give zakaah or enjoin what is right or forbid what is wrong, then they have no promise of help from Allah, because they are not counted as belonging to His party or as being among His close friends to whom He has promised His help. Rather they are the party and close friends of the Shaytaan. If they seek help from Allah based on the fact that He has promised it to them, then their likeness is that of a hired worker who refuses to do the work for which he was hired, then demands his wages. The one who is like that is not rational at all.
Allah, may He be exalted, says [in the preceding verse]: Truly, Allah is Most Strong, All-Mighty [al-Hajj 22:40]. The Most Strong is the one who overwhelms and is not overwhelmed by anything, as we have stated above several times.
These verses are indicative of the validity of the caliphate of the Rightly-Guided Caliphs: Allah helped them against their enemies because they supported His religion, and they established prayer, gave zakaah, enjoined what is right and forbade what is wrong. So Allah gave them power and caused them to succeed the former rulers in the land, as He says:
Allah has promised those among you who believe, and do righteous good deeds, that He will certainly grant them succession to (the present rulers) in the earth
[an-Noor 24:55].
The truth is that the verses mentioned above include the Companions of the Messenger of Allah (blessings and peace of Allah be upon him), as well as those who support the religion of Allah in the most perfect manner. And Allah knows best. End quote.
Adwa al-Bayaan (5/272)
__________________________

বর্তমানে খিলাফত/শরিয়া/দ্বীন কায়েম করা নিয়ে বিভিন্ন ধরণের অপব্যখ্যা ও গোমরাহী মিশ্রিত তাফসীর বাজারে ব্যপকভাবে প্রচলিত আছে। আপনারা সেইগুলো থেকে সতর্ক থাকেবন, সেটা জামাতে ইসলামী, মুসলিম ব্রাদারহুড, হিযবুত তাহরীর, আল-কায়েদাহ, আইসিস বা যেই নামেই হোক না কেনো। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক দ্বীনের উপরেই স্থির রাখুন এবং তার উপরে যেনো আমরা মৃত্যুবরণ করতে পারি সেই তোওফিক দান করুন, আমিন।

বিয়ে এবং স্বামী স্ত্রী সংক্রান্ত কুরান ও হাদীসের কিছু কথা

বিসমিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ।
ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসুলিল্লাহ।
আম্মা বাআদু।
_________________________
মহান আল্লাহ তাআলা বলেন,
উযু বিল্লাহিমিনাশ-শাইতানির রাযীম।
_________________________
আমি তোমাদেরকে (নারী এবং পুরুষ) জোড়া হিসেবে সৃষ্টি করেছি।
সুরা নাবাঃ ৮।
_________________________
তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের জন্য পোশাকস্বরূপ আর তোমরা তাদের জন্যে পোশাকস্বরূপ।
সুরা বাক্বারাহঃ ১৮৭।
_________________________
আর (আল্লাহ তাআলার) এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের মধ্য থেকেই তোমাদের জন্যে সংগিনী (স্ত্রীদেরকে) সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের (স্বামী এবং স্ত্রীদের) মাঝে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করে দিয়েছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল ব্যক্তিদের জন্যে (আল্লাহর) নিদর্শনাবলী রয়েছে।
সুরা রুমঃ ২১।
_________________________
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
এমন দুইজন যারা একজন আরেকজনকে ভালোবাসে, তাদের জন্যে বিয়ের মতো এমন আর কিছু হয়না।
সুনানে ইবনে মাজাহ।
_________________________
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন,
এ পৃথিবীর পুরোটাই হচ্ছে ভোগ-বিলাস ও আনন্দ উল্লাসের সামগ্রী। তার মাঝে সর্বোত্তম সম্পদ হচ্ছে নেক ও সৎকর্মপরায়ণ স্ত্রী।
সহীহ মুসলিম। 
_________________________
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন,
চারটি জিনিস হচ্ছে সৌভাগ্যের নিদর্শনঃ
ক. নেককার স্ত্রী, খ. প্রশস্ত বাসস্থান, গ. উত্তম প্রতিবেশী ও ঘ. আরামদায়ক যানবাহন।
আর চারটি জিনিস হচ্ছে দুর্ভাগ্যের নিদর্শনঃ
ক. খারাপ স্ত্রী, খ. সংকীর্ণ বাসস্থান, গ. খারাপ প্রতিবেশী ও ঘ. মন্দ যানবাহন।
মুসনাদে আহমাদঃ ২৪৪৫, ইবনে হিববানঃ ৪০৩২; হাদীসটি সহীহ, শায়খ আলবানী রাহিমাহুল্লা, সিলসিলাহ ছহীহাহঃ ২৮২; ছহীহুল জামেঃ ৮৮৭।
_________________________
আল্লামাহ শায়খ সালেহ আল-ফাউজান হাফিজাহুল্লাহ বলেন,
যে ব্যক্তি খালি বাড়িতে ফিরে আসে এবং যার স্ত্রী নেই, সে একটা কঠিন জীবন পরিচালনা করা, যদিও সে বাড়িটা সম্পদ ও আনন্দের বস্তু দ্বারা পূর্ণ থাকে।
আল-ইত্তিহাফঃ ৮৫৭ পৃষ্ঠা।
______________________
ইমাম মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
মানুষের রিজিক যেমনিভাবে পূর্বেও লিপিবদ্ধ করা করা হয়েছে, ঠিক তেমনি বিবাহ করাও পূর্বেই নির্ধারিত করা রয়েছে। এই পৃথিবীতে কে কার স্বামী বা স্ত্রী হবে, সেটাও নির্দিষ্ট করা রয়েছে। আসমান জমিনের কোন কিছুই আল্লাহর কাছে গোপন নয়।
ফাতাওয়া আরকানুল ইসলামঃ ঈমান অধ্যায়, প্রশ্ন নং-৬২।
_________________________
বাদুর রহমান বা, যারা রহমানের বান্দা তারা এই বলে দুয়া করে,
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
উচ্চারণঃ রাব্বানা হাবলানা মিং আযওয়াজিনা ওয়া মং যুররিয়্যাতিনা ক্বুররাতা আয়ুনিন্। ওয়াজ্-আলনা লিল মুাত্তাক্বীনা ইমামা।
অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের স্ত্রীদের ও সন্তানদেরকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা স্বরূপ করে দাও, এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে ইমাম (আদর্শ) বানাও।
সুরা ফুরক্বানঃ ৭৪।

_________________________

দাজ্জাল সম্পর্কে জানুন

দাজ্জাল সম্পর্কে জানুনঃ
১. দাজ্জাল কে?
২. দাজ্জালকে আমরা চিনবো কিভাবে?
৩. দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচার উপায় কি?
- আনসারুস সুন্নাহ
__________________________
কেয়ামতের আগে দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে আল্লাহ দাজ্জালকে দিয়ে পরীক্ষা করবেন।
দাজ্জাল একজন মানুষ, যে ঈসা (আঃ) এর মতো অলৌকিক কাজ করে দেখাবে।
এই জন্য তাকে বলা হয় মাসীহিদ-দাজ্জাল অর্থাৎ প্রতারক বা মিথ্যা মাসীহ।
দাজ্জালের পরিচয়ঃ
দাজ্জাল একজন তরুন মানুষ যার গায়ের রঙ হবে লালচে। তার চুল হবে ঘন ও কোঁকড়ানো। তার কপাল হবে চওড়া ও বুক হবে প্রশস্ত। সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তার ডান চোখ হবে কানা আর বাম চোখ হবে আংগুরের মতো ফোলা, দেখে মনে হবে চোখ যেনো চোখের কোঠর থেকে বের হয়ে আসছে। দুই চোখের ঠিক মাঝখানে লেখা কাফ, ফা, রা (كافر, অর্থাৎ কাফের) এই তিনটি অক্ষর লেখা থাকবে যার অর্থ হলো কাফির আর এই লেখা শিক্ষিত-অশিক্ষিত সকল ইমানদারেরাই পড়তে পারবে।
দাজ্জালের আরেকট বৈশিষ্ট্য হবে তার কোনো ছেলে মেয়ে থাকবেনা বা সে হবে নিঃসন্তান।
দাজ্জাল প্রথমে নিজেকে মাসীহ বা ঈসা (আঃ) এর মতো অলৌকিক ক্ষমতার দাবী করবে, আর পরে সে নিজেক সরাসরি আল্লাহ হিসেবে দাবী করবে। কারণ, সে আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী (যাতে মানুষকে পরীক্ষা করা যায়) অনেক অলৌকিক কাজ করে দেখাবে। সে আকাশের মেঘকে হুকুম করবে আর আল্লাহর ইচ্ছায় বৃষ্টি হবে, আর যে এলাকার মানুষ তাকে আল্লাহ হিসেবে মানবেনা সেখানে বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়ে দুর্ভিক্ষ হবে।
দাজ্জালের অন্য অলৌকিক কাজের মধ্যে থাকবে তার সাথে রুটির পাহাড় ও পানির নহর থাকবে যা সে মানুষের মাঝে বিতরণ করবে।
সে মৃত মানুষকে জীবিত করে দেখাবে, সে একজনকে বলবে আমি আল্লাহ আমাকে মানো। এর প্রমান হিসেবে সে একটা জিনকে তার বাবা মার সুরতে হাজির করবে আর ঐ জিন তার বাবা মা সেজে বলবে দাজ্জালই হচ্ছে আল্লাহ, তাকে আল্লাহ বলে মেনে নিতে বলবে।
দাজ্জাল কখন আসবে?
এক হাদীসে বলা হয়েছে, মানুষ যখন দাজ্জাল নিয়ে আলোচনা করবেনা তখন দাজ্জাল আসবে।
অর্থাৎ মানুষ যখন দাজ্জাল নিয়ে কথা বলবেনা, খতিব সাহবেরা মসজিদে খুতবা দেবেনা, আলেমরা তাকে নিয়ে ওয়াজ করবেনা বা বই লিখবেনা। আর মানুষ তখন জানবেনা যে দাজ্জাল নামক একজন মানুষ একটা বড় ফেতনা সৃষ্টি করবে। আর তাই অজ্ঞ মানুষেরা খুব সহজেই দাজ্জালের ফেতনায় ঈমান হারিয়ে চির জাহান্নামী হবে (নাউযুবিল্লাহ)।
__________________________
দাজ্জালের মারাত্মক ফেতনা ও ঈসা (আঃ) এর আশ্চর্যজনক কাহিনী
https://www.facebook.com/Back.to.Allah.bangla/posts/1379016928797717:0
__________________________
দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকার উপায়?
দাজ্জাল কখন আসবে কেউ জানেনা, হতে পারে কালকে সকালেই দাজ্জাল চলে আসতে পারে আবার হতে পারে এক হাজার, দুই হাজার বছর পরে আসবে। তবে কেয়ামতের পূর্বে বহু ছোটো নিরর্দশন ইতিমধ্যেই দেখা যাওয়ায়, সমস্ত আলেমরাই এখন মানুষকে সতর্ক করছেন দাজ্জাল আসার সময় খুব কাছে চলে আসছে। তাই আমাদেরকে সতর্কতা নিতে হবে এর ফেতনা সম্পর্কে। সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত যে মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। এছাড়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর শেখানো, নামাযের শেষে দাজ্জালের ফেতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দুয়া করতে হবে।
সর্বশেষ, ঈসা (আঃ) দুনিয়াতে আবার আসবেন এবং তিনি তীরবিদ্ধ করে দাজ্জালকে হত্যা করবেন।
দাজ্জাল সম্পর্কে আরো জানতে এই ফতোয়াটা পড়ুনঃ
http://islamqa.info/en/ref/8806
___________________________
দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচার জন্য দুয়াঃ
১. সালাম ফেরানোর পূর্বে দুয়া মাসুরাঃ
৪টি জিনিস থেকে আশ্রয় চাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দুয়া মাসুরা আছে। কবরের আজাব, জাহান্নামের আজাব, দুনিয়ার ফেতনা ও মৃত্যুর সময়ের ফেতনা ও দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকার জন্য দুয়া মাসুরাঃ
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এইগুলো থেকে বাঁচার জন্য ফরয, নফল বা সুন্নত, যেকোনো সালাতে তাশাহুদ ও দুরুদের পরে সালাম ফিরানোর আগে এই দুয়া পড়তে বলেছেন।
اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ.
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন আযাবিল ক্বাবরি ওয়া মিন আযাবি জাহান্নাম, ওয়ামিন ফিতনাতিল মাহইয়া, ওয়াল্ মামাতি, ওয়ামিং সাররি ফিতনাতিল্ মাসীহিদ্-দাজ্জাল।
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে কাবরের আযাব থেকে রক্ষা করো,আমাকে জাহান্নামের আযাব, এবং দুনিয়ার ফিৎনা ও মৃত্যুর ফেতনা এবং দাজ্জালের ফিৎনা থেকে রক্ষা করো।
বুখারী ২১০২, মুসলিম ১/৪১২, হিসনুল মুসলিম, পৃষ্ঠা ৯০।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) দুয়া মাসুরা হিসেবে এই দুয়া পড়তে সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।
__________________________
২. সুরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করাঃ
> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের হাত থেকে রক্ষা পাবে। অন্য এক হাদীসে আছে, সুরা কাহফের শেষ দশ আয়াত।
সহীহ মুসলিম, রিয়াদুস স্বালেহীনঃ ১০২১।
> দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচার জন্য সুরা কাহফের প্রথম বা শেষের ১০ আয়াত মুখস্থ করার কথা হাদীসে এসেছে, দুইটা হাদীসই সহীহ। যার যেই আয়াত ভালো লাগে, প্রথম বা শেষের যেকোন ১০ আয়াত মুখস্থ করলেই হবে। সুরা কাহাফের ১০ আয়াতের অর্থ ও উচ্চারণসহ সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন -
https://www.facebook.com/Back.to.Allah.bangla/posts/736288306403919
__________________________
দাজ্জাল সম্পর্কে বিভ্রান্তিঃ

হিযবুত তাওহীদ, বায়েজীদ খান পন্নী, মাওলানা মওদুদী (রহঃ), ইমরান নযর হোসাইন সহ বিভিন্ন দল এবং লোকেরা দাজ্জালের ব্যপারে মারত্মক অপব্যখ্যার শিকার হয়েছেন। হিযবুত তাওহীদ, বায়েজীদ খান এদের মতো বিভ্রান্ত লোকেরা দাজ্জালের অর্থ করেছে ইয়াহুদী খ্রীস্টান এবং তাদের মিডিয়াগুলোকে। এরা নির্বোধ লোক, যারা হাদীস সম্পর্কে কোন জ্ঞান রাখেনা। মাওলানা মওদুদী (রহঃ) ও অজ্ঞতাবশত দাজ্জালকে নিছক কল্প-কাহিনী বলে ফতোয়া দিয়েছিলেন (নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক), এবং এ সম্পর্কিত অসংখ্য সহীহ হাদীস সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেছিলেন, আল্লাহ তাকে মাফ করুন। অনুরূপভাবে দাজ্জালের ব্যপারে ইমরান নজর হোসাইন ও ভুল অর্থ করেছেন। আপনারা হক্ক ও বাতিল যাচাই করতে চাইলে শুধুমাত্র সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে দাজ্জাল সম্পর্কিত সহীহ হাদীসগুলো পড়ুন, ইন শা আল্লাহ এতোটুকুই যথেষ্ঠ হবে।

বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

আমরা কি ক্বুরানকে ‘মাহজুরা’ (পরিত্যক্ত) সাব্যস্ত করেছি?

আমরা কি ক্বুরানকে মাহজুরা (পরিত্যক্ত) সাব্যস্ত করেছি? (মা যাআলাহ)
- দাঁড়ি রাখলে কেমন দেখা যাবে? মেয়েরা বিয়ে করতে রাজি হয়না!
- হিজাব পড়লে মানুষ জংগি বলে, পর্দানশীল নারীদেরকে নিয়ে লোকেরা কটুক্তি করে। বাবা-মা অথবা স্বামী হিজাব-পর্দা করতে বাঁধা দেয়!
- ইসলামি আইনের কথা বললে সাপ্রদায়িক, মধ্যযুগীয় বর্বরতা, দেশ পিছিয়ে যাচ্ছে, আফগানিস্থান হয়ে যাচ্ছেএতো ইসলাম মানতে চাইলে পাকিস্থান চলে যাও।
- সুদ, ঘুষ, হারাম উপার্জন নিয়ে কথা বলা যাবেনা, এতো হালাল-হারাম দেখতে গেলে দুনিয়া চলবেনা
- আজকালকার যুগে পড়তে গেলে নারী-পুরুষ এক সাথে মিশতেই হবে
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
وَقَالَ الرَّسُولُ يَا رَبِّ إِنَّ قَوْمِي اتَّخَذُوا هَذَا الْقُرْآنَ مَهْجُورًا
অর্থঃ আর রাসুল বললেন, হে আমার পালনকর্তা! আমার সম্প্রদায় এই ক্বুরআনকে পরিত্যক্ত (প্রলাপ) সাব্যস্ত করেছে।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে কিছু কাফের ক্বুরানকে مَهْجُورًا মাহজুরা বা পরিত্যক্ত জিনিস মনে করে তাকে বর্জন করেছিলো। আজকের যুগেও কোটি কোটি মুসলমানেরা এই ক্বুরানকে বর্জন করেছে।
আল-হাফিজ, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাউজিয়া রাহিমাহুল্লাহ তাঁর অনন্য গ্রন্থ আল-ফাওয়ায়েদ এ ক্বুরানকে বর্জন করার কয়েকটি দিক উল্লেখ করেছেনঃ
১. ক্বুরান তেলাওয়াত করা বর্জন করা।
২. ক্বুরান শ্রবণ করা বর্জন করা।
৩. ক্বুরান এর উপর আমল করা, এর হালাল-হারাম বিধি-বিধান মেনে চলা বর্জন করা।
৪. ক্বুরান দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা এবং সে অনুযায়ী আদালতে বিচার-ফয়সালা না করা।
৫. রুকইয়া বা ক্বুরান দিয়ে ঝাড়ফুঁক করা বর্জন করা।
আল্লাহ আমাদেরকে এমন জাহেলিয়াতের ধ্বংস হওয়া থেকে হিফাজত করুন, এবং আমাদেরকে আহলুল ক্বুরান এর অন্তর্ভুক্ত করুন।

বিঃদ্রঃ আহলুল ক্বুরান কথাটির অর্থ ভালো, স্বয়ং রাসুল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সহীহ হাদীসে তাদের কথা বলেছেন। এর অর্থ হচ্ছে ক্বুরানওয়ালা বা ক্বুরানের পরিবারের লোকজন। কিন্তু বর্তমানে একটা পথভ্রষ্ট ও মারাত্মক বিদাতী দল নিজেদেরকে আহলে কুরান বা কুরানিস্ট বলে দাবী করে। তাদের দাবী হচ্ছে, তারা সুন্নাহ বা হাদীস মানেনা, শুধু কুরান মানে। অথচ এটা ক্বুরান, হাদিস এবং বাস্তবতা বর্জিত মিথ্যা দাবী ছাড়া আর কিছুইনা। এরা আহলে কুরান নয়, এরা আসলে গোস্তাখ-এ-ক্বুরান। আমাদের কাছে তারা আহলে কুরান নয়, তাদের আসলে নাম হচ্ছে মুনকারিনে হাদীস বা হাদীস অস্বীকারকারী। এরা লন্ডন-আমেরিকার মতো কাফের দেশগুলোতে যেখানে অনেক মুসলমানেরা হারাম ও পাপচারে ডুবে থাকে ও দ্বীন সম্পর্কে তেমন কিছুই জানেনা, তাদেরকে ধোঁকা দিয়ে তাদের ঈমান নষ্ট করছে। আর এর পাশাপাশি মুসলমান দেশগুলোতে তাদের অনুগত লোকদেরকে ক্বুরান গবেষক, ইসলামী চিন্তাবিদ ইত্যাদি সুন্দর সুন্দর নামে মিডিয়াতে প্রতিষ্ঠিত করে তাদের গোমরাহীর বিষবাষ্প মুসলমানদের মাঝে ছড়ানোর ষড়যন্ত্র করছে। আপনারা শয়তানের নেক সুরতে ধোঁকা অর্থাৎ দ্বীন শিক্ষা দানের আড়ালে গোমরাহী ও পথভ্রষ্টতা থেকে সতর্ক থাকবেন ইন শাআল্লাহ।

মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

ঈমান ভংগকারী ২টি কারণ

এমন কিছু কাজ আছে যা করলে ওযু নষ্ট হয়ে যায়, নামায পড়ার জন্যে আবার নতুন করে ওযু করে নিতে হয়। অনুরূপভাবে এমন কিছু কাজ আছে যা করলে মানুষের ঈমান নষ্ট হয়ে সে কাফের, মুশরেক বা মুর্তাদ হয়ে যায়। কোন মুসলমান যদি এমন ঈমান ভংগকারী কোন কাজ করে ফেলে, তাকে সাথে সাথে আন্তরিক তোওবা করে পুনরায় ঈমান নবায়ন করে নিতে হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বর্তমান মুসলমানেরা ওযু ভংগকারী কারণ জানে, কিন্তু কি করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে তা জানেনা। আজকে আমি ঈমান ভংগকারী ২টি কারণ উল্লেখ করছি, যা অনেক মুসলমানেরাই করে যাচ্ছে অবলীলায়ঃ
১. দ্বীনের কোন বিষয় নিয়ে হাসি ঠাট্টা করাঃ
দ্বীনের কোন বিষয়, চাই সেটা ফরয, সুন্নত, নফল, হালাল হারাম যাই হোক না কেনো, সেটা নিয়ে হাসি ঠাট্টা করা কুফুরী এবং মুনাফেকের কাজ। যেমন কেউ যদি দাঁড়ি-টুপি, হিজাব-পর্দা নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে, পুরুষদের একাধিক বিয়ে করার অনুমতি থাকা এমন দ্বীনের কোন বিষয়কে হেয় করে কোন কথা বলে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে। যদি তোওবা করে ঈমান না আনে, তাহলে সে চির জাহান্নামী হবে।  
২. দ্বীনের কোন বিষয়কে ঘৃণা করাঃ

অনুরুপভাবে দাঁড়ী রাখলে অপরিষ্কার দেখা যায়, টাখনুর উপরে কাপড় পড়লে খ্যাতের মতো দেখা যায়, হিজাব-নিকাব পড়লে জেলখানা দেখা যায়, রজম বা বিবাহিত জিনাকারীকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা বা চোরের শাস্তি হাত কেটে দেওয়াকে মধ্যযুগীয় বর্বরতা বলা - এমন দ্বীনের কোন বিষয়, যা আল্লাহ নাযিল করেছেন সেইগুলোর কোন একটাকে ঘৃণা করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে।

একই নাম, কিন্তু দুইজন আলাদা

একই নাম, কিন্তু দুইজন আলাদা
_____________________
শায়খ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আহলুশ-শায়খঃ
সৌদি আরবের বর্তমান প্রধান মুফতির নাম হচ্ছে, আল্লামাহ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আহলুশ-শায়খ হাফিজাহুল্লাহ। বর্তমানে জীবিত আলেমদের মাঝে তিনি সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের মাঝে একজন। আহলুশ-শায়খ কথাটির অর্থ হচ্ছে শায়খ এর বংশধর। এখানে শায়খ বলতে শায়খুল ইসলাম মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওহহাব রহিমাহুল্লাহর এর বংশধদের বোঝানো হয়। মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওহহাব রহিমাহুল্লাহ হচ্ছেন হিজরী ১২ শতাব্দীর একজন মুজাদ্দিদ, যিনি তাঁর সারাটা জীবন আরব ভূখন্ডে তাওহীদ এর দাওয়াতের জন্য জিহাদ করেছেন। একারণে সমগ্র আরব বিশ্বে তাঁর নাম অত্যন্ত সম্মান ও ভালোবাসার সাথে নেওয়া হয়। উল্লেখ্য পরবর্তীতে তাঁর বংশ থেকে অনেকে আলেম হয়েছেন, এবং নিজ যোগ্যতায় সৌদি আরবের ধর্মীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৯ সালে সৌদি আরবের প্রাক্তন প্রধান মুফতি মৃত্যুবরণ করার পর শায়খ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আহলুশ-শায়খ সম্মানিত এই আসনের উত্তরাধিকারী নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, আপনারা প্রতিবছর হজ্জের সময় আরাফাহর ময়দানে ইহরামের পোশাক পড়া অবস্থায় যাকে খুতবা দিতে দেখেন, তিনিই হচ্ছেন শায়খ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আহলুশ-শায়খ। সুবহানাল্লাহ, এটা আল্লাহর একটা নিয়ামত যে, তিনি একাধারে বিগত ৩৪ বছর ধরে আরাফার ময়দানে খুতবা দিয়ে আসছেন। শায়খ এর জন্ম হয়েছিলো ১৯৪৩ সালে, অর্থাৎ বর্তমানে তাঁর বয়স ৭৩।
_____________________
শায়খ আব্দুল আজিজ বিন বাজ রাহিমাহুল্লাহ
সৌদি আরবের বর্তমান প্রধান মুফতির পূর্বে যিনি প্রধান মুফতি ছিলেন তাঁর নাম হচ্ছে, ইমাম আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ রাহিমাহুল্লাহ, যিনি শায়খ বিন বাজ নামে আরব ও অনারব সারা বিশ্বে ব্যপক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। শায়খ বিন বাজ আধুনিক যুগে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত এর একজন ইমাম হিসেবে বিবেচিত। ইমাম অর্থ নেতা, অর্থাৎ তিনি শীর্ষস্থানীয় এমন একজন আলেম ছিলেন, যার দাওয়াত ও তাবলীগ দ্বারা সমগ্র উম্মত ব্যপকভাবে উপকৃত হয়েছে। শায়খ বিন বাজ এর জন্ম হয়েহছিলো ১৯১০ সালে, মৃত্যু ১৯৯৯ সনে। তিনি ১৯৯৩ থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রধান মুফতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
_____________________

এতো গেলো, দুইজনের নাম এবং পদবীর দিক থেকে মিল। এবার অন্য একটা দিকের কথা বলি। এই দুইজনই খুব অল্প বয়স থেক দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন। শায়খ বিন বাজ রাহিমাহুল্লাহ মাত্র ২০ বছর বয়সে এবং শায়খ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আহলুশ-শায়খ হাফিজাহুল্লাহ মাত্র ১৭ দুই চোখের দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছিলেন। আল্লাহ এভাবেই তাঁর বান্দাদের মাঝে কাউকে সাময়িক কষ্টে ফেলে তাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে উভয় জাহানে মর্যাদার দিক থেকে উন্নত করেন।